অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাথে মতবিনিময়। নীতিমালা ও বিকল্প কর্মসংস্থান ছাড়া অটোরিকশা বন্ধ নয়, অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান

সিটিভি নিউজ।। তৌহিদ হোসেন সরকার সংবাদদাতা জানান ==========নীতিমালা ও বিকল্প কর্মসংস্থান ছাড়া অটোরিকশা বন্ধ নয়, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান, রোড পারমিটসহ একটি কার্যকর নীতিমালার আওতায় এনে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার দাবি জানিয়েছে
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান,

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। একই সঙ্গে রাজধানীর বাইরে থেকে ঢাকায় প্রবেশকারী অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পয়েন্টভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গতকাল বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানানো হয়।
সভায় পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, “আমরা বৈধপথে ব্যাটারি ও অটোরিকশা আমদানি করে রাস্তায় নেমেছি। তাহলে আমাদের যানবাহন অবৈধ হবে কেন?” তিনি অটোরিকশার জন্য রোড পারমিটসহ একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।
তিনি বলেন, “নীতিমালার মাধ্যমে আমাদের সুশৃঙ্খল হতে সহযোগিতা করা হোক। ঢাকার বাইরে থেকে আসা অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট পয়েন্টে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা চালু করলেই অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব।”

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লসকর মো. তসলিমের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শ্রমজীবী মানুষের যৌক্তিক দাবির পক্ষে অবস্থান করে আসছে। দেশের বিভিন্ন অর্জনে শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময়ও হাজার হাজার রিকশা শ্রমিক ও মালিক স্বৈরাচারী হাসিনার রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে, ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন।
আতিকুর রহমান বলেন, “জুলাই আন্দোলনের সময় আহত ও নিহতদের হাসপাতালে পৌঁছাতে রিকশা ও রিকশাচালকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তখন কোন অ্যাম্বুলেন্স ছিল না । তাদের অবদান অস্বীকার করে সব দায় শ্রমিকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি বলেন, কোনো নীতিমালা প্রণয়ন না করে জোরপূর্বক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধ করা উচিত নয়। একইভাবে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে হকারদের উচ্ছেদও সমর্থনযোগ্য নয়। শ্রমজীবী মানুষের জীবিকা ও পরিবারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, “কর্মসংস্থানের বিকল্প ব্যবস্থা না করে কাউকে অবৈধ ঘোষণা করা যায় না। সরকারকে আমরা আহ্বান জানাব—সড়ক ব্যবস্থাপনায় সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করুন এবং সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সমাধানের পথ বের করুন।”
তিনি আরও বলেন, অটোরিকশা চলাচল নিয়ে দুর্ঘটনা ও জননিরাপত্তার বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে একদিকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়, অন্যদিকে শ্রমিকদের জীবিকা ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
“কোনো শ্রমিকের ওপর জুলুম করা যাবে না, কোনো পরিবারকে পথে বসানো যাবে না। শ্রমিকদের হঠাৎ বেকার করে দিলে সামাজিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে”।
সভায় আরও বক্তব্য দেন রিকশা শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক হারুনুর রশিদ খান, রিকশা শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মহিবুল্লাহ এবং শ্রমিক নেতা এস এম শাহজাহান।
সভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতারা তাদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। নেতারা সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এসব সমস্যার যৌক্তিক ও টেকসই সমাধানের আহ্বান জানান। সংবাদ প্রকাশঃ ০৭-১০-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন