বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের মুকুটহীন নবাব —আনোয়ার_হোসেন

সিটিভি নিউজ।। খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ঃ সংবাদদাতা জানান ===============
কিছু মানুষ সময়কে অতিক্রম করে কিংবদন্তিতে পরিণত হন। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তেমনই এক অমর নাম আনোয়ার হোসেন। অভিনয়ের অসাধারণ দক্ষতা, ব্যক্তিত্বময় উপস্থিতি এবং বৈচিত্র্যময় চরিত্রে প্রাণ সঞ্চারের মাধ্যমে তিনি কোটি দর্শকের হৃদয়ে গড়ে তুলেছেন চিরস্থায়ী আসন।
১৯৫৮ সালে ‘তোমার আমার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তাঁর রূপালি পর্দায় অভিষেক। এরপর টানা ৫২ বছরের বর্ণাঢ্য অভিনয়জীবনে তিনি অভিনয় করেছেন ৫০০-এরও বেশি চলচ্চিত্রে, যা তাঁকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতার মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।
দর্শকদের কাছে তিনি ছিলেন ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ এবং ‘মুকুটহীন নবাব’ নামে সমাদৃত। ঐতিহাসিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাহিত্যনির্ভর, লোককাহিনী, পারিবারিক কিংবা শিশুতোষ—প্রায় প্রতিটি ধারার চলচ্চিত্রেই তাঁর অভিনয় ছিল অসাধারণ, শক্তিশালী এবং স্মরণীয়।
১৯৭৫ সালে ‘লাঠিয়াল’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা সম্মান।
১৯৮৮ সালে চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে প্রদান করে একুশে পদক। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অভিনেতাদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত হন।
১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ সালে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কিন্তু একজন প্রকৃত শিল্পী কখনো হারিয়ে যান না—তিনি বেঁচে থাকেন তাঁর সৃষ্টিকর্মে, অসাধারণ অভিনয়ে এবং কোটি ভক্তের ভালোবাসায়।
গভীর শ্রদ্ধা, অফুরন্ত ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করছি বাংলা চলচ্চিত্রের এই অবিস্মরণীয় মহাতারকাকে।
আনোয়ার হোসেন চিরঞ্জীব থাকবেন বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের হৃদয়ে। সংবাদ প্রকাশঃ ১২-০৭-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন