কুমিল্লা নগর উদ্যানে বেপরোয়া বাণিজ্য ট্রেড লাইসেন্সহীন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তাহীনতায় ঝুঁকিতে দর্শনার্থী “আমি নিজেই ট্রেড লাইসেন্স।” –ইভেন্ট পরিচালক

সিটিভি নিউজ।। তৌহিদ হোসেন সরকার কুমিল্লা সংবাদদাতা জানান ———-
কুমিল্লা নগর উদ্যানে চলছে জমজমাট বাণিজ্য, কিন্তু সেই বাণিজ্যের বড় অংশই নিয়ন্ত্রণের বাইরে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উদ্যানে দুই ডজনেরও বেশি ইভেন্ট ও স্টল পরিচালিত হলেও অধিকাংশ ব্যবসায়ীরই নেই প্রয়োজনীয় ট্রেড লাইসেন্স। ফলে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সিটি করপোরেশন, একই সঙ্গে তৈরি হয়েছে নিরাপত্তা ঝুঁকি।
সরাসরি পরিদর্শনে একাধিক স্টলে ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়ে জানতে চাইলে অনেকেই অজ্ঞতার পরিচয় দেন। এক ইভেন্ট কর্মচারী বলেন, “আমরা তো সিটি করপোরেশনেরই, আমাদের আবার ট্রেড লাইসেন্স লাগবে কেন?” অপরদিকে, একটি স্টলে ‘ক্যান্টিন’ লেখা থাকলেও বাস্তবে সেখানে ব্যায়ামাগার পরিচালনা করতে দেখা যায়। লাইসেন্স প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বলেন, “আমি নিজেই ট্রেড লাইসেন্স।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহানগরীর অলিগলি গুরে দেখা যায় প্রায় ৭০ শতাংশ দোকানি কোনো ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করেন না। বাকি ৩০ শতাংশের মধ্যে অনেকেই ব্যাংক ঋণের প্রয়োজনেই লাইসেন্স নেন এবং ঋণ পরিশোধ শেষে তা নবায়ন বন্ধ করে দেন। ফলে ট্রেড লাইসেন্সের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের যে আনুষ্ঠানিক সংযোগ থাকার কথা, তা কার্যত ভেঙে পড়েছে।
নগর উদ্যান ঘুরে দেখা যায়, এখানে ট্রয় ট্রেন, ক্যাবল কার, ডিজিটাল সিনেমা হলসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক স্থাপনা রয়েছে। প্রতিদিন লাখ টাকার লেনদেন এবং মাসে কোটি টাকার বাণিজ্য হলেও এর বিপরীতে সিটি করপোরেশনের আয় নেই বললেই চলে। এ অবস্থায় গোটা মহানগরীর রাজস্ব পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অধিকাংশ ইভেন্টে নেই কোনো অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, শিশুদের জন্য নিরাপত্তা গার্ড কিংবা জরুরি চিকিৎসা সহায়তার ফাস্টএইড সুবিধা। অতীতে এখানে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ও আহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবুও দৃশ্যমান কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেই—আছে কেবল আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন ও উচ্চমূল্যের টিকিট।
এ বিষয়ে স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, কার্যত অভিভাবকহীন অবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে পুরো উদ্যান। তদারকির অভাব এবং নিয়ম না মানার প্রবণতায় পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এসব অবৈধ স্থাপনা আগে বৈধতার আওতায় আনতে হবে, তারপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আগের কর্তৃপক্ষের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, “এটি দায়িত্বহীনতার ফল। আমরা ধাপে ধাপে সব ঠিক করবো, ইনশাআল্লাহ।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা, নিয়মিত তদারকি জোরদার এবং নিরাপত্তা মানদণ্ড নিশ্চিত না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও রাজস্ব ক্ষতি অব্যাহত থাকবে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অধিকাংশ ইভেন্টে নেই কোনো অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, শিশুদের জন্য নিরাপত্তা গার্ড কিংবা জরুরি চিকিৎসা সহায়তার ফাস্টএইড সুবিধা।### সংবাদ প্রকাশঃ ২৭-০৪-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=