কুমিল্লায় নৃশংসভাবে শিশু রিফাত কে গলা কেটে হত্যা পলাতক তিন আসামি গ্রেপ্তার।। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র,উদ্ধার

সিটিভি নিউজ।। রিপোর্টারঃ সংবাদদাতা জানান =====
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার , বার পাড়া ইউনিয়নের লালমাই পাহাড়ের বড় ধর্মপুর সাহেবের খিল বৈরাগী মুড়া পাহাড়ের উপর বাঁশ ঝাড়ের ভিতর ৯,বছরের শিশু রিফাতকে নিশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল।
স্বরেজমিন ঘুরে, মামলার বিবরনে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার শীলমুড়ি ,ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের মোঃ মমিন আলীর ছেলে মোঃ জসিম উদ্দিন তার ছেলে মোহাম্মদ রিফাত ৯,বছরের শিশু স্থানীয় শলকা মুড়ি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র। অন্যান্য দিনের মতো ২০২৫ সালের ১, জানুয়ারি সকাল সাড়ে আটটায় স্কুলে যায় রিফাত, স্কুল থেকে দুপুরে বাড়িতে এসে খাওয়া-দাওয়া শেষে বেলা প্রায় দুইটার পর খেলাধুলার জন্য বাড়ির বাহির হয়ে যায়। রিফাত বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত বাড়িতে না আসায় রিফাতের বাবা জসীমউদ্দীন তার স্ত্রী সহ আশপাশের বাড়ি পাড়া মহল্লা সহ খোঁজাখুজি করে সন্ধ্যায় এলাকায় তার শিশু রিফাত নিখোঁজের মাইকিং করেন। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ২, জানুয়ারি বরুড়া থানায় নিখোঁজের সাধারণ একটি ডায়েরী দায়ের করেন জসিম। এরই মাঝে খোঁজাখুজি অব্যাহত রেখেছে জসিম। ৩, জানুয়ারি জসিম তার শ্রী আত্মীয়-স্বজনরা পাহাড়ে এলাকায় খোঁজাখুঁজি করা অবস্থায় ,সদর দক্ষিণ উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের বড় ধর্মপুর লালমাই পাহাড়ের বৈরাগী মুরা বাঁশ ঝরের ভিতর জসিমের ছেলে রিফাতের রক্তাক্ত গলাকাটা লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের বাড়ির গ্রামের লোকজন জড়ো হয় পরে। স্থানীয় লোকজন, সদর দক্ষিণ থানায় থানা পুলিশ কে জানালে পুলিশ এসে নিহত রিফাতের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ৩, জানুয়ারি নিহত রিফাতের বাবা জসিম বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারটি দায়ের করার সময় ও লেখার সময় এলাকার দুষ্কৃতকারী মোহাম্মদ আলী ওরফে আইয়ুব আলী ,মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ জামাল হোসেনের নাম এজাহারে,অন্তর্ভুক্তের কথা জসিম জানালে থানার এসআই জনি কান্তি দে, একটি প্রভাবশালী মহলের ষড়যন্ত্রের কারণে তাদের নাম উল্লেখ করেননি। এদের নাম বাদ দিয়ে অজ্ঞাত আসামি দিয়ে ৩০২, ৩০১,৩৪ ধারায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায় রিফাত হত্যা মামলার সাথে জড়িত এরা প্রায় সময় রিফাতকে ডেকে নিয়ে যেত এবং স্থানীয় দোকান থেকে খাবারের বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনে দিত ,কি ছিল তাদের মনের উদ্দেশ্য গ্রামের লোকজন কেউ জানে না ‌। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আসামিরা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী গোলাম সারোয়ার ও সাবেক অর্থমন্ত্রী , লোটাস কামালের আত্মীয় বলে জানা যায়। যার কারনে থানা পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার ও অ্যাকশনে যেতে পারে নাই দীর্ঘদিন। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য বাদী একাধিকবার বললেও অজ্ঞাত কারণে তাদের গ্রেফতার করেনি মামার তদন্ত কারী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর দক্ষিণ মডেল থানার এস আই জনি কান্তি দে , বলেন এদেরকে গ্রেপ্তার করলে আমার চাকরি থাকবে না। এমনি করে পার করে দিয়েছেন দীর্ঘ ১৫ টি মাস। কিন্তু জনি কান্তি দে এই ১৫ মাসে একাধিকবার আসামীর বাড়িতে গিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে স্থানীয় লোকজন জানায়। কিন্তু আসামিদের গ্রেফতার কিংবা থানা এনে কোনো জিজ্ঞাসাবাদের ব্যবস্থা করেননি এতদিন। গত ২৬ শে মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে জসিম, স্থানীয় লোকজন সহ অভিযুক্ত আসামি রৌশন আলীর ছেলে আইয়ুব আলী, মোঃ আলী,নেওয়াজ এর ছেলে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ,মোঃ জামাল হোসেন এই তিন অভিযুক্ত কে এলাকাবাসী আটক করে থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে তাদেরকে গ্রেফতার করেন। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী যে দেশীয় দা দিয়ে রিফাতকে জবাই করা হয়েছে সে দেশীয় অস্ত্র তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ২৬ শে মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কে,জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। তবে তাদেরকে কোন মামলা দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জনি কান্তি দে, তিনি এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে নারাজ। সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ মোঃ সিরাজুল মোস্তফা জানান, এখন কোন মন্তব্য করব না। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতসন্দেহে যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে সাংবাদিকদের তথ্য দিতে অপারগতা পোষণ করেন থানার ওসি। রিফাতের বাবা মোঃ জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান আমি একজন দিনমজুর অশিক্ষিত আমার শিশু রিফাতকে নূশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের বিচার জাতির কাছে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে দাবি ‌।তার ছেলেকে এই দুষ্কৃতিকারীরা নূশংসভাবে জবাই করে হত্যা করেছে,অপরাধীরা যেন শাস্তি পায় এটাই আমার কাম্য। এদিকে কুমিল্লার সুশীল সমাজ মন্তব্য করে বলেন কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না। ২০২৪ সালে নতুন একটি বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি। কিন্তু বাংলাদেশ পুলিশের চরিত্রের পরিবর্তন হয়নি। পুলিশ আগের ধারায় ফিরে গেছে। নীতি নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে অনেক পুলিশ কর্মকর্তা অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত রয়েছেন। তার একটি প্রমাণ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় রিফাত হত্যাকাণ্ড। সংবাদ প্রকাশঃ ২৮-০৩-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন