পোল্ট্রি খাতে একচেটিয়া কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণে ঝুঁকিতে ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান

সিটিভি নিউজ।। অদ্য সকাল ১১ ঘটিকায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামারী এসোসিয়েশেনের উদ্যেগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে- পোলট্রি খাতে একচেটিয়া কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণে ঝুঁকিতে ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান আধিপত্য বিস্তারে অস্থির মুরগির বাজার ,তবুও ভালো নেই ক্ষুদ্র খামারিরা। পোল্ট্রি খাতে কর্পোরেট আধিপত্য বিস্তারে অস্থির মুরগির বাজার ,তবুও ভালো নেই ক্ষুদ্র খামারিরা ১৪-গত ৭ মাস ধরে উৎপাদন খরচের বিপরীতে প্রতি কেজি মুরগিতে ৪০- ৫০ টাকা একটি ডিমে ৩-৪ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। কর্পোরেট নিয়ন্ত্রনে ঝুঁকিতে ৫০ হাজার কোটি টাকার শিল্প ও ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান
শবে বরাত, রমজান ও ঈদকে লক্ষ্য করে দেশের ডিম ও ব্রয়লার মুরগির বাজারে অস্বাভাবিক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। এই অস্থিরতা প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিদের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।দেশের হাজার হাজার প্রান্তিক খামারি দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য মূল্যে ডিম ও মুরগি উৎপাদন করে আসছেন। কিন্তু বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে কিছু অসাধু সিন্ডিকেট চক্র এবং কয়েকটি বড় কর্পোরেট গ্রুপ, যা খামারিদের স্বাভাবিক আয় থেকে বঞ্চিত করছে। সংকটে প্রান্তিক খামারিরা লোকসানের ভারে বন্ধ করে দিচ্ছে খামার,পরিবর্তন করছে পেশা পেশা ।
শবে বরাত, রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে মুরগির বাচ্চার দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে একটি বাচ্চার দাম সাধারণত ৩০ টাকা, সেখানে কয়েকটি বড় কর্পোরেট কোম্পানি তা ৮০ু৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করেছে। এই কোম্পানিগুলো বাজারে মুরগি আসার প্রায় ৩০ দিন আগেই বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। অর্থাৎ বাজারে মুরগি পৌঁছনোর আগেই তারা আগাম মুনাফা নিশ্চিত করছে।প্রান্তিক খামারিরা এই সময়ে খাদ্য, বাচ্চা ও ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন উচ্চমূল্যে। ফলে বাজারে মুরগির দাম বৃদ্ধি পেলেও খামারিরা লাভবান হচ্ছেন না। প্রান্তিক খামারিদের চলমান চ্যালেঞ্জ: উৎপাদন খরচের ধারাবাহিক বৃদ্ধি ,খাদ্য ও ওষুধের উচ্চমূল্য,ন্যায্য মূল্য না পাওয়া,ঋণের বোঝা ও পরিছালনা খরচ বৃদ্ধি,বাজারে সিন্ডিকেটের আধিপত্যের কারণে আর্থিক ক্ষতি সম্মুখীন হয়ে খামার বন্ধ করতে বাধ্য হছছেন।
সিন্ডিকেটের কাঠামো:কয়েকটি বড় কর্পোরেট গ্রুপ ,তেজগাঁও ডিম সমিতির কিছু সদস্য,অসাধু ব্যবসায়ী ও খাত নিয়ন্ত্রক,কিছু অসৎ কর্মকর্তা এই সমন্বয়ে একটি চক্রাকার সিন্ডিকেট কাজ করছে, যা পুরো পোল্ট্রি খাতের উপর প্রভাব বিস্তার করছে। সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে এবং সুযোগ বুঝে দাম বাড়িয়ে ভোক্তা ও উৎপাদক উভয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। কয়েকটি বড় কর্পোরেট গ্রুপের আধিপত্যের কারণে মুরগির বাজারে স্থিতিশীলতা নেই, এবং প্রান্তিক খামারিরা বাধ্য হয়ে তাদের পেশা ছাড়ছেন। অনেক প্রান্তিক অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। এতে দেশের পোল্ট্রি খাতের ভবিষ্যত ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এই পরিস্থিতি দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করছে, কারণ বাজার কয়েকটি বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে। ঝুঁকিতে পড়বে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) এর ৬ দফা দাবি:
১.প্রান্তিক খামারীদের জন্য কৃষক কার্ড প্রদান করতে হবে
২.সিন্ডিকেট চক্র ও কর্পোরেট আধিপত্যের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
৩.মুরগির বাচ্চা, খাদ্য ও ওষুধের বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হোক।
৪.প্রান্তিক খামারিদের সুরক্ষা ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা হোক।
৫.ডিম ও মুরগির বাজারকে সিন্ডিকেটমুক্ত করে স্থিতিশীল বাজার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হোক।
৬.প্রান্তিক খামারিদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও প্রণোদনা নিশ্চিত করা হোক।
সভাপতিত্ব করবেন: সভাপতি: সুমন হাওলাদার,সহ-সভাপতি: বাপ্পি কুমার দে,সাধারণ সম্পাদক: ইলিয়াস খন্দকার
সাংগঠনিক সম্পাদক: ইকবাল হোসেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: কাউসার আহমেদও অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,উপস্থিত থাকবেন: মোহাম্মদ আল আমিন, বিপিএ এর ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি ও সকলজেলা, উপজেল্র ক্ষুদ্র ডিম ও মুরগি উৎপাদনকারী প্রান্তিক খামারিরা। সংবাদ প্রকাশঃ ১৪-০৩-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=