যশোরে দায়িত্বশীল সমাবেশে অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সৎ ও নিঃস্বার্থ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে

সিটিভি নিউজ।। তৌহিদ হোসেন সরকার সংবাদদাতা জানান ===========
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সৎ ও নিঃস্বার্থ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে, অন্যান্য শ্রমিক নেতারা নিজেরা স্বাবলম্বী হয়,
আমাদের শ্রমিক নেতারা নিঃস্বার্থভাবে, পরোপকারী হয়ে,বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করে যেন সাধারণ শ্রমিকেরা কিছু পায়,
এবং শ্রমিকদের বাস্তব সমস্যার সমাধানে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যায়,
শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংগঠনকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
এ জন্য ইসলামী শ্রমনীতির বাস্তবায়ন অপরিহার্য।
রবিবার (১১ অক্টোবর) ‘শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন অনিবার্য’ স্লোগানকে ধারণ করে যশোর জেলা হেলাল ট্রাস্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সহ-সাধারন সম্পাদক আখতারুজ্জামান,
কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ আজহারুল ইসলাম, এবং যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের সহকারী অঞ্চল পরিচালক অধ্যাপক মশিউর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ৫৭ বছরের ইতিহাসে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে। এখন এই সুযোগকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার সময় এসেছে।
অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, দেশে যখন যে দল ক্ষমতায় আসে, তখন অনেক শ্রমিক সংগঠন ক্ষমতাসীন দলের আনুগত্যে পরিচালিত হয়। সরকারদলীয় শ্রমিক সংগঠনগুলো শ্রমিক সেক্টর নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। অতীতে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শ্রমিকদের ওপর জুলুম-নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও স্ট্যান্ডবাজির অভিযোগও ছিল।বর্তমানে কিছু শ্রমিক নেতা সংগঠনের সরকার দলিয় পদ-পদবি ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করছেন, অথচ সাধারণ শ্রমিকদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখেন না।
তিনি বলেন, শ্রমিক সংগঠনগুলোর দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায় করা। কিন্তু বাস্তবে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রত্যাশিত ভূমিকা সব ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনকে শ্রমিক আন্দোলনে নতুন ধারা সৃষ্টি করতে হবে। সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা এবং শ্রমিকদের বাস্তব সমস্যার সমাধানে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সাংগঠনিক কার্যক্রমের মূল্যায়ন শুধু দায়িত্বশীলদের সন্তুষ্টির ওপর নির্ভর করলে চলবে না; সাধারণ শ্রমিকেরা উপকৃত হচ্ছেন কি না, সেটিই হবে কাজের সাফল্যের প্রধান মাপকাঠি। যেসব শ্রমজীবী মানুষ নিজেদের অধিকার আদায়ে যথাযথ সহযোগিতা পান না, তাদের পাশে দাঁড়ানোই সংগঠনের মূল দায়িত্ব।
যশোরের শ্রমিক আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ অঞ্চলের প্রতিটি শ্রমিক খাতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। পেছনে থেকে নয়, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে কাজ করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে যারা শ্রমিক খাত নিয়ন্ত্রণ করেছে, তারা শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতে হবে, যাতে এর সুফল সরাসরি সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ ভোগ করতে পারেন। সংবাদ প্রকাশঃ ১১-১০-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=