ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গুরতর অভিযোগ কাগজে-কলমে শেষ সব উন্নয়ন, বাস্তবে উধাও ২৯ লাখ টাকা!

সিটিভি নিউজ।। বিল্লাল হোসেন মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি সংবাদদাতা জানান====
খাতা-কলমে প্রকল্পের কাজ একশতে একশ, কিন্তু বাস্তবে সেখানে কেবল শূন্যতা! কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ১৯ নম্বর দারোরা ইউনিয়ন পরিষদে ঘটেছে এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ১৪টি ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে উন্নয়ন সহায়তা ও ভূমি হস্তান্তর করের প্রায় ২৯ লাখ ১৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন খন্দকারের বিরুদ্ধে।
এই জালিয়াতির প্রতিকার ও অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) রমিজ উদ্দিন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪-২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে দারোরা ইউনিয়নে ১২টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ২৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকা বরাদ্দ নেওয়া হয়। তবে প্রকল্পের একটি কানাকড়ি কাজও না করে বরাদ্দের ২৫ লাখ টাকা পকেটে পুরেছেন চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন খন্দকার।
শুধু তা-ই নয়, জালিয়াতির জাল বিস্তার করা হয়েছে আগের অর্থ-বছরগুলোতেও। ইউপি সদস্য রমিজ উদ্দিন জানান, “গত ২৯ জুলাই জেলা প্রশাসক বরবরে আরও একটি অভিযোগ দিয়েছি। সেখানে দেখা যায়, ২০২২-২০২৩ ও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে আরও দুটি ভুয়া প্রকল্পের নামে ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪শ’ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, টি-আর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পেও একই অবস্থা। প্রশাসনিক কঠোর নজরদারী না থাকায় একই জায়গায় বার বার প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি টাকা লুটপাটের মহোৎসব চলছে”।
সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আয়েশা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,”কাজিয়াতল মবিনের বাড়ি থেকে অজিদের বাড়ির রাস্তার পুকুরে গাইড ওয়াল নির্মাণের কাজটির দায়িত্বে আমি ছিলাম। কিন্তু চুক্তি করার পর আমাকে জানানো হয় কাজটি নাকি বাতিল হয়ে গেছে!” প্রকল্প বাতিল বললেও বাস্তবে সেই কাজের বরাদ্দ করা টাকা তোলা হয়ে গেছে ঠিকই।
গত ১৫ জুলাই অভিযোগ জমা পড়ার পর নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টির সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন (স্মারক নং: ৬৬৫, তারিখ: ২৭-০৭-২০২৬)।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন খন্দকার বলেন, অভিযোগে উল্লেখিত প্রকল্প সমুহের কাজ ২০২২-২০২৩ অর্থ-বছরে করা হয়েছে। যা ২০১৩-২০১৪ অর্থ-বছরের বরাদ্দ ছিল। ২০২৪-২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে প্রকল্পের নামে আত্মসাত করার অভিযোগটি সঠিক নয়।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাকিব হাছান খান জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এখনও পুরোপুরি অবহিত নন। তবে অভিযোগ হাতে পেলে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উন্নয়নের নামে সরকারি টাকা এভাবে চেয়ারম্যানের পকেটে চলে গেলেও প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি না থাকা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্ন। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে নিরúেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এই দুর্নীতির গোড়াপত্তন উপড়ে ফেলা হোক। সংবাদ প্রকাশঃ ২৯-০৮-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন