পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মীদের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময়

শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার রক্ষায় ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের শক্তিশালী করতে হবে —
অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান

সিটিভি নিউজ।। বাংলাদেশ পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মচারী কল্যাণ ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন,”শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার রক্ষায় ট্রেড ইউনিয়ন ভিত্তিক সংগঠনের শক্তিশালী করতে হবে”

তিনি গতকাল ১১আগষ্ঠ ( মঙ্গলবার)
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় হলরুমে মতবিনিময় সভায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন সমস্যা, শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ এবং ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রম আরও শক্তিশালীকরন ও সম্প্রসারণের বিষয়ে কথা বলেন।

কর্মচারী কল্যাণ ঐক্য পরিষদের
সভাপতি জাকির হোসেন এর সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লসকর মোহাম্মদ তসলিম , কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক আকতারুজ্জামান, আব্দুস সালাম,
কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সম্পাদক সোহেল রানা মিঠু প্রমুখ।

প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন,
“জুলাই বিপ্লবের পর থেকে সংগঠনের কার্যক্রম সকল সেক্টরে সম্প্রসারিত হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকের প্রতি অন্যায়, জুলুম ও অত্যাচার হলে সেখানে প্রতিরোধে ভূমিকা রাখার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।”
তিনি বলেন, “পল্লী ব্যাংকের কার্যক্রমে সিবিএর ভূমিকা আরও সম্প্রসারণ করে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখতে হবে। আমরা এখন প্রধান বিরোধী দলের সংগঠন। এই বিরোধী দলকে যারা ভালোবাসে, তারা আমাদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করবে—এটাই স্বাভাবিক। যারা সংগঠনকে ভালোবাসে, তারা চায় সব জায়গায় সংগঠন থাকুক।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের রাজনৈতিক ময়দানে অগ্রসরমান দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একেবারেই ব্যতিক্রম। অন্য দলগুলোর বৈশিষ্ট্য মোটামুটি কাছাকাছি। তারা ট্রেড ইউনিয়নে আসে দলীয় স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ, নিজের আখের গোছানো, পকেট ভারী করা ও ক্ষমতা দেখানোর জন্য। দুর্নীতির কারণে শ্রমিক সমস্যার সমাধানেও তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না।”
তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পর পুরনো নেতৃত্ব যেন ইউনিয়নে জগতদল পাথরের মতো বসে থাকতে না পারে, সে জন্য নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে সকল স্টেকহোল্ডার ও শ্রম অধিদপ্তর একমত হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই সর্বসম্মতিক্রমে চালু হওয়া নিয়ম রহিত করেছে। অবসরের পরও পুরনো সভাপতিরা সিবিএ নেতৃত্বে থেকে নতুন নেতৃত্বের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করলে তা প্রতিষ্ঠানের কল্যাণ বয়ে আনে না।”
তিনি বলেন, “প্রত্যেক সেক্টরে পাঁচটি ইউনিয়ন করার বিষয়ে সকল পক্ষের মতামতে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, কিন্তু সরকার সেটিও বাতিল করেছে। এতে শ্রমিক ইউনিয়নের যে ক্ষতি হচ্ছে, প্রকৃত ট্রেড ইউনিয়নকর্মী ছাড়া অন্যরা তা বুঝবে না।”
তিনি আরও বলেন, “রাজনৈতিক ময়দানসহ সকল সেক্টরে প্রয়োজনীয় সংস্কার না হলে অধিকার আদায় হবে না। তাই সংগঠন মজবুত ও ঐক্যবদ্ধ করতে হবে এবং ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।”
অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, “আমরা যে ট্রেড ইউনিয়ন করি, এর মূল উদ্দেশ্য হলো দ্বীনি উদ্দেশ্য। মানুষকে আল্লাহর দ্বীনের প্রতি নিয়ে আসার পাশাপাশি অধিকারহারা মানুষের অধিকার আদায়ে কথা বলতে হবে। আদর্শের প্রশ্নে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘাত সৃষ্টি সহ সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে হবে এবং ঈমানী পরীক্ষা মোকাবিলা করতে হবে।”
তিনি বলেন, “সামনের দিনগুলো সুন্দর করার জন্য সকল প্রকার অব্যাবস্থাপনা দুর করে পরিষ্কার করতে হবে, চাষাবাদ আরও সুন্দর করতে হবে। সকলের প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমরা কাজ করে যাবো, ইনশাআল্লাহ।” সংবাদ প্রকাশঃ ১২-০৮-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন