ফাঁ সির রায় পাওয়া ছেলেকে জড়িয়ে ধরে মা গালে চুমু খেয়ে বলতেছে, “আমার সোনা… আমার মানিক…”

সিটিভি নিউজ।। খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ঃ সংবাদদাতা জানান ==================
আর বুকফাটা আর্তনাদে একে ওকে বলছিল—“আমার ছেলেটাকে বাঁচান…
দৃশ্যটা খুব নিষ্ঠুর…
কিন্তু এর থেকেও নিষ্ঠুর ছিল সেই ছোট্ট শিশুটার আতঙ্ক, কান্না আর ভাঙা শৈশব।
মেহেরপুরের ৯ বছরের ছোট্ট মেয়েটা বাবার জন্য মাঠে খাবার নিয়ে যাচ্ছিলো।
কিন্তু মাঝপথে এই নরপিশাচ শাকিল তার পুরো জীবনটাই অন্ধকার করে দেয়।
তার বাবাটাও সেদিন মাঠে দাঁড়িয়ে শুধু কাঁদছিলো…
চিৎকার করছিলো…
নিজেকে দোষ দিচ্ছিলো…
কারণ একজন বাবা কখনো কল্পনাও করতে পারে না, তার মেয়ের সাথে এমন কিছু হতে পারে।
আর আজ?
আজ আদালতে কাঁদতে দেখা গেল অপরাধীর মাকে।
ছেলেকে একবার বুকের সাথে জড়িয়ে ধরতে চেয়েছিলো… কিন্তু পুলিশ সরিয়ে দেয়।
সেদিন সেই বাবাও কাঁদছিল।
আজ তিনিও কাঁদলেন।
কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকে যায়—
এতো যদি সোনা মানিক হতো, তাহলে ছোটবেলা থেকে তাকে মানুষ বানানো হলো না কেন?
কেন শেখানো হলো না, একটা মেয়ের সম্মান মানে একটা পরিবারের সম্মান?
কেন শেখানো হলো না, ক্ষমতা না থাকলেও একজন পুরুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার চরিত্র?
কারণ সত্যি কথা হলো—
সন্তান শুধু জন্ম দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না।
অতিরিক্ত আদর পেয়ে, ভুলকে প্রশ্রয় পেয়ে, অনেক “সোনা মানিক” একসময় অন্য কারো সন্তানের দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠে।
আর আজকে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মাত্র ২৯ দিনে ধর্ষণের এমন রায় দেখে মানুষ একটা কথাই বলতেছে— “বিচার যদি এমন দ্রুত হতো সবসময়, তাহলে হয়তো অনেক শিশু আজ নিরাপদ থাকতো…”
কারণ অপরাধীরা মানবতা বোঝে না,
ওরা শুধু শাস্তির ভয় বোঝে।
আর সেই ভয়টাই আজ প্রথমবার সত্যি মনে হচ্ছে।
আবেগ, সহানুভূতির উর্ধ্বে এখন মৃ*ত্যুদ*ন্ডের রায়টা দ্রুততম সময়ে কার্যকর হলেই হয়! সংবাদ প্রকাশঃ ২৬-০৫-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=