“কুমিল্লার মুরাদনগরে চাঞ্চল্যকর ডাকাতি’সহ ১৯ মামলার আসামী আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১১

সিটিভি নিউজ।। “প্রেস বিজ্ঞপ্তি”==স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এসআরবি সৃষ্টিকাল থেকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনী, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারসহ- ডাকাত, মাদক চোরাচালানকারী, অপহরণকারী, প্রতারক ও হত্যাকান্ডের অপরাধে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও সাম্প্রতিককালে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে এসআরবি জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। গত ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন নেয়ামতপুর সাকিনস্থ মুরাদনগর হতে রামচন্দ্রপুর গামী পাকা সড়কে চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনা ঘটে। প্রাথমিভাবে জানা যায় যে, লক্ষীপুর সদর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল হোসেন চট্টগ্রাম ফিশারিঘাট মাছের আড়ত হতে ইলিশ মাছ কিনে কুমিল্লার বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করে। ঘটনার দিন রাতে তিনি চালক ও সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে পিকআপ বোঝাই করে ইলিশ মাছ নিয়ে যাচ্ছিলেন। রাত ০০ঃ৩০ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একটি সাদা রংয়ের পিকআপ তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। এ সময় ১০/১২ জন সশস্ত্র ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে চালক ও মাছ ব্যবসায়ীকে মারধর করে ও প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে তাদের পাত-পা ও মুখ বেঁধে সড়কের পাশে ফেলে রেখে প্রায় নয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার ইলিশ বোঝাই পিকআপটি ও ভিকটিমের নিকট হতে নগদ একাত্তর হাজার টাকা লুটে নিয়ে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ভিকটিমদেরকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম বেল্লাল হোসেন বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানায় একটি ডাকাতি মামলা দয়ের করেন, যার মামলা নং-০৩, তারিখ-০২/০৯/২০২৬ ইং, ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০। উক্ত ডাকাতির ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। আলোচিত এই ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে এসআরবি গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায়, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ০৩/১১/২০২৬ ইং তারিখ ২৩০০ ঘটিকায় এসআরবি-১১, সিপিসি-২ এবং এসআরবি-১০ সিপিসি-১ যাত্রাবাড়ী এর একটি যৌথ বিশেষ আভিযানিক দল ডিএমপি ঢাকার শনির আখড়া এলাকা হতে উক্ত ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত ডাকাত সর্দার ১৯ মামলার আসামী ইদ্রিস মিয়া (২৭), পিতা-মৃত হেকিম আব্দুল মান্নান, মাতা-সামসুন্নাহার, সাং-হাজীপুর চৌমুহনী, থানা-বেগমগঞ্জ, জেলা-নোয়াখালী, এ/পি-বরগাঁও, সাদিপুর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়গনগঞ্জ’কে গ্রেফতার করে।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে এবং পিসি/পিআর পর্যালোচনায় দেখা যায় দেশের বিভিন্ন জেলায় তার বিরুদ্ধে ১৯ টি ডাকাতি মামলা রয়েছে। সে একজন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার। সে ডাকাতি করে জীবিকা নির্বাহ করে। ডাকাতি ব্যাতিত তার নির্ধারিত কোন আয়ের উৎস নেই। সে বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদেশ ফেরত প্রবাসি ও ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে ডাকাতির ঘটনা সংঘটিত করে। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন গত ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখ রাতে আসামী ইদ্রিস মিয়া মাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল হোসেন’কে টার্গেট করে রাত ০০ঃ৩০ ঘটিকার সময় কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন নেয়ামতপুর সাকিনস্থ মুরাদনগর হতে রামচন্দ্রপুর গামী পাকা সড়কে ভিকটিমের গাড়ীর গতিরোধ করে ডাকাতি করে। ঘটনার পরপরই আসামী গ্রেফতার এড়াতে আত্নগোপনে চলে যায় এবং বিভিন্ন জায়গায় আত্নগোপনে থাকে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সংবাদ প্রকাশঃ ০৪-১১-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন