চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আজিবর রহমানের গণসংযোগ

শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইউনিয়নের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান তিনি
সিটিভি নিউজ।। মানিক ঘোষ, নিজস্ব প্রতিনিধি =====================
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ১১ নম্বর রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী সাবেক শিক্ষক ও সাংবাদিক আজিবর রহমান। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার বিকেলে কুল্ল্যাপাড়া গ্রামে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এই সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী।
আজিবর রহমান কালীগঞ্জ উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের প্রয়াত সদর মণ্ডলের ছেলে। ইংরেজি সাহিত্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর তিনি কালীগঞ্জের সরকারি নলডাঙ্গা ভূষণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি দেশের প্রথম সারির ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার-এর সাংবাদিক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।
শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় মানুষের সমস্যা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান তিনি। তাঁর সমর্থকদের দাবি, শিক্ষিত, সৎ ও সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে রাখালগাছি ইউনিয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
জিয়াউর রহমানের আদর্শে রাজনৈতিক পথচলা
আজিবর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহ্বানে খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। দুইবার জিয়াউর রহমানের সঙ্গে খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার স্মৃতি তাঁকে বিএনপির আদর্শের প্রতি অনুপ্রাণিত করে। শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত থাকায় দীর্ঘদিন সরাসরি দলীয় পদ-পদবি গ্রহণ না করলেও দলের আদর্শে বিশ্বাসী হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন বলে জানান তিনি।
তাঁর রাজনৈতিক জীবনে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়ার কথাও তুলে ধরেন সমর্থকেরা। তাঁদের দাবি, ২০১৪ সালে তাঁর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। একই বছর তৎকালীন সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের সংশ্লিষ্টতায় তাঁর ও ছেলের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই মামলার কারণে এক মাস নিজ গ্রামে প্রবেশ করতে পারেননি বলেও তাঁর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনেও তিনি ও তাঁর ছেলে শাহরিয়ার আলম সোহাগ অংশ নেন বলে জানা গেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রকাশ করা প্রয়োজন।
১৯৯৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাঁর স্ত্রী মহিলা সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন বলেও জানান তাঁর সমর্থকেরা।
সমর্থকদের প্রত্যাশা, মনোনয়নের অপেক্ষায় আজিবর
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিলন হোসেনের মতে, আজিবর রহমানের মতো উচ্চশিক্ষিত, সৎ, অসাম্প্রদায়িক ও পরোপকারী ব্যক্তি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আবু সালাম বলেন, “আজিবর রহমান একজন সাহসী ও শিক্ষিত মানুষ। আগামী ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।”
চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে আজিবর রহমান বলেন, “জীবনের দীর্ঘ সময় শিক্ষা বিস্তার ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের সেবা করেছি। রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হইনি। রাখালগাছি ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে আজীবন তাঁদের সেবা করতে চাই। দল আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দিলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই, ইনশাআল্লাহ।”
বর্তমানে ইউনিয়নের বিভিন্ন মোড়, চায়ের দোকান ও পাড়া-মহল্লায় মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন আজিবর রহমান। তবে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত না হওয়ায় নির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা এখনো প্রত্যাশার পর্যায়েই রয়েছে। সংবাদ প্রকাশঃ ১১-১০-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন