শত্রুতায় হেরেছে মানবতা এক অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির আহাজারি থামছে না

সিটিভি নিউজ।। নিজস্ব প্রতিনিধি ===================
৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী আলেক। বৃদ্ধা স্ত্রীও স্ট্রোক করে হারিয়েছেন চলাচলের শক্তি। এই দম্পতির জীবন যুদ্ধের একমাত্র সম্বল ছিল ১০ কাটা পানের বরজ। তারা দুজনে মিলে চাষ করতেন ওই পান বরজটি। বুধবার ভোর রাতে কে বা কারা শত্রুতাবশত তাদের ওই পান বরজটি কেটে নষ্ট করে দিয়েছে। হতদরিদ্র অসহায় পরিবারটির ভরন পোষনের একমাত্র পান বরজটি নষ্টে তাদের কান্না আহাজারী যেন থামছেনা। হৃদয় বিদারক ওই ঘটনাটি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ জামাল ইউনিয়নের দুধরাজপুর গ্রামে।
ক্ষতিগ্রস্থ্য বৃদ্ধ কাজী আলেক ও প্রতিবন্ধি স্ত্রী কাদতে কাদতে জানায়, তাদের বাড়ীর কিছু দুরে ১০ কাটা পার বরজ আছে। প্রতিদিনের ন্যায় খুব সকালে নামাজ শেষে পান বরজে যায়। বরজের ভেতরে ঢুকেই দেখতে পায় পান গাছ কাটা ছেড়া রয়েছে। এরপর বরজের পুরোটাই ঘুরে দেখেন সব পান গাছের গোড়া কাটা। কে বা কারা শত্রুতাবশত গভীর রাতে তার ১০ কাটা পান বরজ কেটে বিনষ্ট করেছে। বরজের পাশেই বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা দম্পতি তাদের কর্তনকৃত পান গাছ দেখাতে দেখাতে অঝোরে কাদছিল। অঅর বলছিল এই বরজটিই তাদের একমাত্র সম্বল।
বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা জানায়, প্রতিদিন তারা স্বামী স্ত্রী পালাক্রমে বরজটিতে কাজ করতেন। এই পান বরজের টাকায় চলত সারা বছরের সংসার ও ঔষধ খরচ। এখন কিভাবে চলবে তাদের সংসার। না খেয়ে মরতে হবে তাদের।
বৃদ্ধ আলেক আরো জানায়, তার এক টুকরো ভিটে বাড়ী ও পান বরজ ছাড়া মাঠে কোন জায়গা জমি নেই। এক ছেলে সন্তান থাকলেও সেও পরের জমিতে কামলা খাটে। এখন সংসার ও ঔষধ খরচের চিন্তায় চোখে অস্ধকার দেখছেন। অসহায় পরিবারটি তাদের ক্ষতির দৃষ্টান্তমুলক বিচার চান।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ জেল্লাল হোসেন বলেন, পান বরজ বিনষ্টের খবর পেয়ে এক অফিসারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ভূক্তভোগীদের অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগ পেলেই দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান তিনি। সংবাদ প্রকাশঃ ১৬-০৭-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন