ড্রাফটম্যান শাহীন আলমের বিরুদ্ধে শীঘ্রয়ই ব্যবস্থা নেয়া হবে-প্রধান প্রকৌশলী আবদুল আউয়াল

সিটিভি নিউজ।। মো: এমাদুল হক সোহাগ নিজস্ব প্রতিবেদক:===========
৮ বছরে শত কোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়া জনস্বাস্থ্য প্রখৌশল অধিদপ্তর ফেনী কার্যালয়ের ড্রাফটম্যান কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের মো: শাহিন আলমের বিরুদ্ধে শীঘ্রয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রধান প্রকৌশলী মো: আবদুল আউয়াল। মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, শাহীন আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আমার কাছে এসেছে এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়টিও নজরে এসছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো সত্য এবং এগুলো আমলে নিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের শুভপুর ইউনিয়নের তেলিহাটি গ্রামের এক হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান শাহিন আলম। বাবা জয়নাল আবেদীন একসময় স্থানীয় বাজারে বাদাম বিক্রি করে তিন ছেলের সংসার টানতেন। অভাবের সেই সংসারে ২০১৮ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটম্যান পদে চাকরি পান মেজ ছেলে শাহিন। আর এই সরকারি চাকরিতে যোগদানের মাত্র আট বছরের মাথায় আলাদিনের চেরাগ পাওয়ার মতো বদলে যায় তার ভাগ্য। নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের পাহাড় গড়ে শাহিন আলম এখন শত কোটি টাকার মালিক।
জানা যায়, শাহিন আলমের অর্জিত সম্পদের তালিকায় রয়েছে চোখ ধাঁধানো সব খতিয়ান। তিনি ইফাদ মোটরস থেকে ৫টি বিলাসবহুল স্লিপার কোচ কিনেছেন যা বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচল করে। পণ্য পরিবহনের জন্য তার রয়েছে ১১টি ডাম্প ট্রাক এবং মাটি কাটার জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ১০টি স্কেভেটর (ভেকু)। এছাড়া তেলিহাটি গ্রামে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নান্দনিক ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করেছেন তিনি। শুধু জমিই নয়, কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাঁও ও ঢাকার খিলগাঁওয়ে রয়েছে তার দামি ফ্ল্যাট। এছাড়া চান্দিনা ও তেলিহাটি মৌজায় কয়েক কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভূ-সম্পত্তি রয়েছে তার দখলে। টয়োটা প্রিমিও গাড়ি রয়েছে দুটি।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ফেনীর সদ্য সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শফিউল হক জানান, শাহীন আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই, পাহাড় সমান অভিযোগ। সে খুবই বিরক্তিকর, উর্ধ্বতন অফিসারদেরও বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। ড্রাফটম্যান পদ থাকলেও মূলত এই পদের দৃশ্যমান কোন কাজ নেই। আমরা নকশা তেমন করিনা। সে সুযোগে শাহীন আলম বিভিন্ন লাইসেন্সে ঠিকাদারি করে যাচ্ছেন। তাঁর অবৈধ সম্পদের বিষয়ে আমরা আগে থেকেই জানি। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তদন্ত রিপোর্ট দিয়ে এসেছি। সে ঠিকমতো অফিসও করেনা। তাঁর বেতনও বন্ধ আছে চার মাস ধরে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে, শাহীন আলমের মুঠোফোনে একাধিক পোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে, শাহীন আলমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার মুঠোফোনে জানান, তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে একটি মহল। গরীব পরিবারের সন্তান টাকা পয়সার মালিক হলে সমাজের অনেকেই মেনে নিতে পারেনা। আমার স্বামীর সাথে এমনটাই হয়েছে। দশম গ্রেডের চাকরির পাশাপাশি আমার স্বামী ব্যবসা করেই সম্পদ কামিয়েছে। দিন রাত পরিশ্রমের ফসল হচ্ছে এসব সম্পদ। সংবাদ প্রকাশঃ ২৪-০৫-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=