চলচ্চিত্র অঙ্গনের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা শেখ আবুল কাশেম মিঠুন

সিটিভি নিউজ।। খন্দকার দেলোয়ার হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি ঃ ==============
তিনি মিঠুন নামেই সর্বাধিক পরিচিত। তিনি সাতক্ষীরা জেলার আশা শুনি উপজেলার দরগাহ – পুর গ্রামে ১৮ ই এপ্রিল ১৯৫১ সালে এক অভিজাত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।। উনার পিতার নাম শেখ আবুল হোসেন এবং মাতার নাম হাফেজা খাতুন।। শিক্ষা জীবনে তিনি পাইকগাছা স্কুল থেকে ১৯৭২ সালে মেট্রিক পাশ করেন এবং খুলনা সিটি কলেজ থেকে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেন।। পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।।বৈবাহিক জীবনে তিনি পারভীন আক্তার নামে এক সুন্দরী ললনার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।। উনারা ২টি কন্যা সন্তানের জনক সঙ্গীতা এবং তরু।। মিঠুন বহু মাতৃক প্রতিবার অধিকারী ছিলেন অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতা সহ বেতারের কাজের সাথেও যুক্ত ছিলেন।।
তিনি বাংলাদেশ বেতার খুলনা এবং বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উপ-পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।।
তিনি নিয়মিত সাংস্কৃতিক চর্চা করতেন এবং মঞ্চ নাটকের সাথে জড়িত ছিলেন পাশাপাশি তিনি নিয়মিত মঞ্চনাটক করতেন এখান থেকেই ওনার অভিনয়ের দক্ষতা বাড়ে।।
নাট্যকার ও গীতিকার মিঠুন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা বজলুর রহমানের হাত ধরে চলচ্চিত্র অঙ্গনে আসেন এবং বজলুর রহমান পরিচালিত “তরুলতা” ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি প্রথম চলচ্চিত্র জগতের রুপালি পর্দায় প্রবেশ করেন।। মিঠুন সাহেব মূলত ৮০ ও ৯০ দশকে অত্যন্ত জনপ্রিয় চরিত্রাভিনেতা এবং সহ নায়ক হিসেবে সিনেমা প্রেমী দর্শকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মুখ ছিলেন, উনি দেখতেও মন্দ ছিলেননা বরং উনি যথেষ্ট স্মার্ট এবং সুদর্শন ছিলেন।।উনি যথেষ্ট গুণী
এবং পরিশ্রমী শিল্পী ছিলেন।।
যতদিন অভিনয় করে গেছেন ততদিন কোনো পরিচালকের সিডিউল তিনি মিস করেননি।।
এইটা ছিল উনার বিরাট একটা গুণ যে গুণ সবার মাঝেই থাকে না।। তাছাড়া আমাদের কেউ একটু পরিচিত বা স্টার হয়ে গেলেই কিন্তু পরিচালকদের অহেতুক সিডিউল মিস করে কিংবা ফাঁসিয়ে দেয়।।
এই ব্যাপারে উনার নামে কোনো কমপ্লেন কেউ কোনোদিন করেন
নি।। যাই হোক উনি উনার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আনুমানিক প্রায় ৬৬ টির মত ছবিতে অভিনয় করেছেন যার বেশির ভাগই ছিল ব্যবসা সফল এবং হিট ছবি।।
অবশ্য তার মাঝে কালজয়ী ছবি
ও ২ থেকে ১ টা আছে।।
এখানে ওনার কিছু উল্লেখযোগ্য ছবির নাম আমি লিখছি —–
তরুলতা,, ভেজা চোখ,, ঈদ মোবারক,, বাবা কেন চাকর,, বেদের মেয়ে জোসনা কালজয়ী,
গৃহলক্ষী,, নরম গরম,, আয়না বিবির পালা,, সারেন্ডার,, প্রেম প্রতিজ্ঞা,,প্রেম-গীত,, ঝিনুক- মালা,,কুসুম কলি,, মায়ের দোয়া অবুঝ শিশু,, বুকের ধন,, ডাকাত,, সত্যবাদী,, হুলিয়া,, বীর সৈনিক,, হাবিলদার,, রাগ অনুরাগ,, বিদ্রোহী বধূ,, ইংলিশ সাগরের তীরে,, ওয়ার্নিং,, বিজলি তুফান,, রাস্তায় রাজা,, হারানো প্রেম,, স্বর্গ নরক, নিকাহ সাক্ষাৎকার,, এ জীবন তোমার আমার,,চাঁদের হাসি,, নিঃস্বার্থ,, জিদ,, জিপসি সরদার এবং ত্যাগের মতো ছবিগুলোতে তিনি অভিনয় করে নিজেকে সহ আমাদের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র জগতকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।। যাই হোক এই গুণী শিল্পী মিঠুন সাহেব দীর্ঘদিন যাবত কিডনি লিভার হৃৎপিণ্ড এবং ফুসফুসের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন।। উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি কলকাতার কোটারী হাসপাতালে ভর্তি হন কিন্তু দীর্ঘ চিকিৎসার পরও তিনি সুস্থ হতে পারেননি অবশেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ শে মে ২০১৫ সালে তিনি ইন্তেকাল করেন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন উনাকে জান্নাত নসিব করেন আমিন।। সংবাদ প্রকাশঃ ০৭-১০-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন