খাম সংকটে কালীগঞ্জ হাসপাতালে পত্রিকার কাগজে এক্স-রে রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ

সিটিভি নিউজ।। নিজস্ব প্রতিনিধি: ==================
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নির্ধারিত খামের সংকটের কারণে পুরোনো পত্রিকার কাগজ কেটে তৈরি করা খামে রোগীদের এক্স-রে রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে রিপোর্ট সংরক্ষণ নিয়ে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস ধরে এক্স-রে রিপোর্ট সরবরাহের জন্য নির্ধারিত খাম নেই। এর মধ্যে প্রায় ২০ দিন ধরে পুরোনো পত্রিকার কাগজ কেটে পিন দিয়ে খামের মতো তৈরি করে তার ভেতরে এক্স-রে ফিল্ম রোগীদের দেওয়া হচ্ছে।
রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল রিপোর্ট সংরক্ষণের জন্য পুরোনো পত্রিকার কাগজ ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে রিপোর্টে কালি, ধুলাবালি বা অন্যান্য ময়লা লাগতে পারে এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
এক্স-রে করাতে আসা রোগীর স্বজন আতাউল হোসেন বলেন, “সরকারি হাসপাতালে এক্স-রে রিপোর্ট পত্রিকার কাগজে দেওয়া হচ্ছে—বিষয়টি দুঃখজনক। রিপোর্টের জন্য আমরা সরকারি ফি দিচ্ছি। তাহলে একটি খামের ব্যবস্থা করা হচ্ছে না কেন?”
অপর রোগী রবিউল ইসলাম বলেন, “এক্স-রে করার পর রিপোর্ট নিতে গিয়ে দেখি খামের পরিবর্তে পুরোনো পত্রিকার কাগজে ফিল্ম দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট সংরক্ষণের জন্য একটি নির্ধারিত খাম থাকা প্রয়োজন।”
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং) সামিউর রহমান বলেন, “গত প্রায় এক মাস ধরে এক্স-রে রিপোর্ট দেওয়ার খাম শেষ হয়ে গেছে। এরপর থেকে আমি নিজেই পত্রিকার কাগজ কেটে খাম তৈরি করে তার মধ্যে ফিল্ম দিয়ে রোগীদের দিচ্ছি। বিষয়টি অস্বস্তিকর। আমি প্রথমে মৌখিকভাবে এবং পরে লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”
এ বিষয়ে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. কামরুজ্জামান বলেন, “বাজেট না থাকলে এক্স-রে ফিল্ম সরাসরি হাতেও দেওয়া যায়। পুরোনো পত্রিকায় মুড়িয়ে দিলেও এতে কোনো অসুবিধা নেই।”
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যতম সদস্য ও কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, “বিষয়টি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
রোগী ও স্বজনদের দাবি, এক্স-রে ফিল্মসহ গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা-সংক্রান্ত রিপোর্ট যাতে নিরাপদে ও যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা যায়, সে জন্য দ্রুত নির্ধারিত খামের ব্যবস্থা করা হোক।
বস্তুনিষ্ঠ রাখার জন্য শিরোনামে সরাসরি “ময়লা কাগজে রোগীর রিপোর্ট” না বলে “খাম সংকটে পত্রিকার কাগজে এক্স-রে রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ” রাখা হয়েছে—এতে অভিযোগ ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য দুটোই ভারসাম্যপূর্ণ থাকে। সংবাদ প্রকাশঃ ০২-১০-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=