বুড়িচংয়ে লিপি আক্তার হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন ঈদের দিন স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, প্রধান আসামি স্বামী গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

সিটিভি নিউজ।। সৌরভ মাহমুদ হারুন।। সংবাদদাতা জানান ============
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার সদরে ( পৌর সভার) নোয়াপাড়া এলাকায় ঈদুল আজহার দিন সংঘটিত লিপি আক্তার (৪০) হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে র‌্যাব-১১। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্বামী ও মামলার প্রধান আসামি মো. সুমন (৩০)-কে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, বুড়িচং উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় সেলিম মিয়ার ভাড়া বাসায় একা বসবাস করতেন লিপি আক্তার। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তিনি ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলার কসবা উপজেলার আব্দুল জলিলের মেয়ে। ঈদুল আজহার দিন ২৮ মে বিকেলে তার মেয়ে শান্ত আক্তার (২৫) (পিতা মৃত মনির হোসেন) মায়ের সঙ্গে দেখা করে শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান একই এলাকায় । পরদিন সকালে মুঠোফোনে মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শান্তা আক্তার ঘটনাস্থলে এসে খাটের ওপর লিপি আক্তারের নিথর দেহ দেখতে পান।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে শান্তা আক্তার পিতা মৃত মনির হোসেন নোয়াপাড়া বুড়িচং পৌর সভা বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামে র‌্যাব।
র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৩০ মে) ভোরে র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ ও র‌্যাব-১ সিপিসি-১ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গাজীপুর সদর থানার ধীরাশ্রম বুড়ি বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মো. সুমনকে গ্রেপ্তার করে। জেলার মুরাদনগর উপজেলার শাহা গোদা গ্রামের মোঃ জামাল হোসেনের ছেলে তিনি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত সুমন হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। তদন্তে জানা যায়, সুমন নিহত লিপি আক্তারের দ্বিতীয় স্বামী এবং তিনি মাদকাসক্ত। ঘটনার রাতে তিনি লিপি আক্তারের বাসায় অবস্থান করেন। পরদিন ভোরে নিহতের মোবাইল ফোন নিয়ে চলে যাওয়ার সময় লিপি আক্তার বাধা দিলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে সুমন তাকে বিছানায় ফেলে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই তিনি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব।
র‌্যাব-১১ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও প্রধান আসামি গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশংসা করেছেন। সংবাদ প্রকাশঃ ৩০-০৫-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন