দেবীদ্বারে “আমার গ্রাম আমার দ্বায়িত্ব” সংগঠনে উদ্যোগে কুরবানীর রক্ত ও বর্জ্য অপসারণ

সিটিভি নিউজ।। এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, দেবীদ্বার(কুমিল্লা) প্রতিনিধি/============
ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর রক্ত ও বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্যে এক ব্যতিক্রমী উদ্যেগ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ‘আমার গ্রাম আমার দায়িত্ব’ সংগঠন।
ঈদের দিন সকাল থেকে দেবীদ্বার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের চাপানগর, সাইলচর ও বিজলীপাঞ্জার গ্রামে সংগঠনটির উদ্যোগে এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এতে এলাকার মানুষজনের মধ্যে সংগঠনটির কার্যক্রম খুবই প্রসংশিত হয়েছে।
তারা বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে পরিবেশ সচেতন করার বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সংগঠনটির সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা জানান, কোরবানির পর পশুর রক্ত ও বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলে রাখলে তা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগজীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে। এই স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণ রোধ করতেই তারা টানা ৩ দিন ধরে গ্রামগুলোতে বর্জ্য অপসারণ ও জীবাণুনাশক ছিটানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সংগঠনের আয়োজকরা আরো বলেন, কোরবানির পরপরই নির্দিষ্ট স্থান থেকে পশুর উপজাত ও বর্জ্য সংগ্রহ করে, জীবাণুমক্ত পরিবেশ তৈরীতে রক্ত ভেজা মাটিতে ব্লিচিং পাউডার ও স্যাভলন মিশ্রিত পানি ছিটানো এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে্য যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলে নির্দিষ্ট গর্তে মাটিচাপা দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধকরণে কাজ করেছি।
এলাকাবাসীর মতে, তরুণদের এই সেচ্ছাসেবী উদ্যোগের ফলে এবার দেবীদ্বারের এই গ্রামগুলোতে ঈদের চিরচেনা দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরী হতে পারেনি। তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতেও তরুণদের এই সামীজিক ও দায়িত্বশীল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
চাঁপানগর গ্রামের মো. রুহুল আমিন হাজারী বলেন, আমাদের গ্রামের মানুষগুলো দায়সার ভাবে বর্জ্য অপসারণ করে থাকেন। এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে। “আমার গ্রাম আমার দায়িত্ব” সংগঠনটি গত ৩ দিন ধরে বিভিন্ন গ্রামের পশু কোরবানির বর্জ্যগুলো স্বাস্থ্য সম্মত প্রক্রিয়ায় যেভাবে অপসারণ করেছে, তাতে রোগ জীবানুর আক্রমনের সুযোগ কম।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক এ আর আহমেদ হোসাইন বলেন, ঈদুল আযহার দিন পশু জবাইয়ের পর যত্রতত্র বর্জ্য ও রক্ত ফেলে রাখার কারণে পরিবেশ দূষিত হয় এবং দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এই সমস্যা সমাধানে ৭নং ওয়ার্ডেরন প্রতিটি গ্রামকে একটি আদর্শ ও পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে ‘আমার গ্রাম আমার দায়িত্ব’ সংগঠনের কর্মীদের সাথে নিয়ে ঈদের দিন সকাল থেকেই মাঠে সক্রিয় হয়ে দিনব্যাপী কাজ করেন। তিনি আরো বলেন- ”আমাদের গ্রাম, আমাদের শহর কিংবা আমাদের ওয়ার্ড পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সবার আগে আমাদের নিজেদের। পবিত্র কোরবানির পর পশুর বর্জ্য যেন কোনোভাবেই মশা-মাছির উপদ্রব কিংবা দুর্গন্ধসহ স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ না হয়। আমাদেরএই জনকল্যাণমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান স্থানীয়রা। সংবাদ প্রকাশঃ ৩০-০৫-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=