অমর একুশের বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে শিব্বীর আহমেদ’র নতুন গল্পের বই ‘বিসর্জন’

সিটিভি নিউজ।। ঢাকা: অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে কথাসাহিত্যিক সাংবাদিক শিব্বীর আহমেদ এর নতুন গল্পের বই বিসর্জন। বইটি লেখকের ৪১তম বই। বইটি প্রকাশ করছে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনন্যা। বিসর্জন উপন্যাসটির সাথে আরো চারটি গল্প সংযুক্ত করে বইটি সাজানো হয়েছে। বাস্তব ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই বইয়ের সকল চরিত্রই কাল্পনিক ভাবে সাজানো হয়েছে। আমাদের আশেপাশে এই গল্প উপন্যাসের বাস্তবতার বা চরিত্রের সাথে মিল পাওয়া যাবে।

সন্তানের প্রতি মায়ের টান এবং মা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং গভীর প্রবৃত্তি। কিন্তু একজন নারী যখন জানে সে মা হতে পারবে না, তখন এটি তার জীবনে এক বিশাল মানসিক ও আবেগীয় সংকটের সৃষ্টি করতে পারে। যেহেতু মাতৃত্বকে অনেক সময় নারীত্বের পূর্ণতা হিসেবে দেখা হয়, তাই এই সংবাদটি তার আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যতের স্বপ্নে বড় আঘাত হানে।

কিন্তু স্বামী যখন নিঃসন্তান হওয়ার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ান, তখন একজন নারীর ভেতরের মাতৃত্বের আকুলতা এবং দাম্পত্য সম্পর্কের প্রতি আনুগত্যের মধ্যে এক প্রবল দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে একজন নারী তার আকাঙ্ক্ষা পূরণে কতটা ত্যাগ বা বিসর্জন দিতে পারেন, তা নিয়ে বাস্তব, জীবনমুখী এবং সংবেদনশীল গল্প বিসর্জন।

শিব্বীর আহমেদ’র গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে। শিব্বীর আহমেদ ম্যানেজম্যান্টে মাস্টার্স অব কমার্স (এমকম) এবং মাস্টার্স অব সফটওয়ার সিস্টেম (এমএসএস) ডিগ্রি লাভ করেন। শিব্বীর আহমেদ হজ্ব সম্পন্ন করেছেন। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪০টি। বিশেষ আবদানের জন্য নানা অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন। রচনা করেছেন বহু গান।

ভালোবাসার সিক্ত পথে হেঁটে যারা সামনে এগিয়ে যায়, তাদের কেউ কেউ খুব সহজেই তাদের অতীত ভুলে যায়। আবার কেউ কেউ কোনদিন ভোলেনা। যারা ভোলেনা, শিব্বীর আহমেদ তাদেরই একজন। নি:শব্দ তার জীবন। নিজের ছোট্ট একটি জগতে তার নিজেরই তৈরি করা একটি বৃত্তে তার বসবাস। এই বৃত্তের মধ্যেই তিনি পড়ে থাকেন নি:শব্দে একাকী। কেউ কেউ এটাকে অহংকার ভেবে ভুল করে। অথচ কি আশ্চার্য্য, এসব কিছুই ভাবায় না তাকে। ক্রোধ নয় হিংসা-বিদ্বেষ নয়, শুধু এক বুক ভালোবাসা আর নিরব অভিমান নিয়েই তিনি এগিয়ে চলেন তার নিজস্ব বৃত্তে। সংবাদ প্রকাশঃ ২০-০২-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন