চৌদ্দগ্রামে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ ভাঙচুর ও নেতাকর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ

সিটিভি নিিউজ।। মনোয়ার হোসেন, কুমিল্লা:সংবাদদাতা জানান ==============
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জগন্নাথ দিঘী ইউনিয়নের ফকির বাজারে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ ভাঙচুর ও নেতাকর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা জগন্নাথদিঘী ইউনিয়ন ফকির বাজার শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের প্রাঙ্গনে প্রতিবাদ সভায় এসব অভিযোগ করেন।
জগন্নাথদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গির হোসন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন উত্তর দক্ষিণ চৌদ্দগ্রামে যে সহিংস ঘটনা শুরু হয়েছে তা আমাদের কারোই কাম্য ছিল না। নির্বাচনে হার-জিত থাকবে। যিনি জয় লাভ করবেন তিনি সকল জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নিরাপত্তার দায়িত্বে ও কল্যাণে কাজ করেন। আপনারা অবগত আছেন জগন্নাথ দীঘি ইউনিয়নে নির্বাচনের আগে এবং পরে কেমন সহিংস ঘটনা ঘটেছে। গত রাতে জগন্নাথদীঘি ইউনিয়ন ফকির বাজার আমাদের শহীদ জিয়ার স্মৃতি সংসদ ভাঙচুর লুটপাট করেছে। নির্বাচনের দিন কেন্দ্রের কোন এজেন্ট প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি, পথে পথে বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদেরকে হুমকি ভোট প্রদানের বাদা প্রদান করছেন। নির্বাচনের দিন এমন কোন কাজ নেই তারা করেনি। নির্বাচন শেষ করার পর দক্ষিণ চৌদ্দগ্রামে জগন্নাথ দীঘি ইউনিয়নে যে তাণ্ডব তারা চালিয়েছে আরাফাত রহমান কোকো নির্বাচনী অফিস ও শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ ভেঙ্গে ক্রমান্বয়ে তারা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবির আব্দুল্লাহ চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, ৫ই আগস্ট এর পর সারা বাংলাদেশ যখন স্বাধীন তখনও চৌদ্দগ্রাম কোন স্বাধীন হয় নাই। ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হওয়ার পরেও চৌদ্দগ্রামে বিএনপি পরিবার এখনো স্বাধীন না। রবিবার রাতে ঢাকাতে জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান চৌদ্দগ্রামের এমপি নায়বে আমির ডাঃ তাহের কে যেভাবে বুকে জড়িয়ে নিলেন আর এমপি সাহাবের লোকজন রাতেই সেই বিএনপি অফিস ভাঙচুর করলো। এটাই হচ্ছে তাদের আসল রূপ। আমরা বিএনপি পরিবার তারেক রহমানের নিকট দৃষ্টি আকর্ষণ করছি চৌদ্দগ্রামের দিকে দৃষ্টি দেন, আপনার নেতাকর্মীরা ভালো নেই।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহামমদ আলি খোকন বলেন গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দুদিন আগেই জামায়াত শিবিরের লোক পায়ের খোলার ছাত্তার মিয়ার ছেলে রনি আমার গলায় চুরি ধরে বলে নির্বাচনে এজেন্টের দায়িত্বে থাকা যাবে না। নির্বাচনের দিন মাগরিবের সময় আমাকে একা পেয়ে কিল ঘুষি লাঠি দিয়ে প্রহার ও ছুরি দিয়ে গুরুতর আঘাত করে ভয়ে আমি অন্যের বাড়ি ছাদের উপরে একদিন একরাত অবস্থান করি। পরে আমি পুলিশের নিকট ফোন করলে তারা ঘটনাস্থলে এসে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে চলে যায়। আমি প্রশাসনের নিকট সঠিক বিচার চাই।
অনুষ্ঠানে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য মুখলেসুর রহমান রানা, ইকবাল হোসেন সোহেল, পাভেল হাসান, শ্রমিক দলে সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম মেম্বার,ওয়াড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, ওয়াড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, সদস্য কবির হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহিদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সহ সভাপতি দাউদ ইসলাম, উপদেষ্টা আবুল হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, মজুমদার আব্দুল লতিফ ইকবাল হোসেন সোহেল প্রমুখ।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামাতের সাধারণ সম্পাদক মু. বেলাল হোসাইন জানান রবিবার রাতের ঘটনা কে বা কাহারা তাদের অফিস ভাঙচুর করছে ওনারা দেখেনাই আমরাও দেখিনাই। ঐ রাতে অন্য কেউ ঘটনা ঘটিয়ে আমাদেরকে দোষারোপ করতেও পারে। একটা রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির জন্য চেষ্টা করতেছে, এই অস্থিরতা সৃষ্টি করতে কেউ পারবে না।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু মোহাম্মদ কাউসার জানান, নির্বাচন পূর্বে সহিংস্র ঘটনা থানায় লিখিত অভিযোগ অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। গতকাল রবিবার রাতের ঘটনা আমার জানা নেই। সংবাদ প্রকাশঃ ১৬-০২-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=