বাইসাইকেলে ফেরি করে সংসার চলে শহিদুল মোল্লার

সিটিভি নিউজ।। মোহাম্মদ আককাস আলী,জেলা প্রতিনিধি: ============অভাবকে হার মানিয়ে পরিবারের মুখে হাসি ফুটানোর লক্ষ্যে বাইসাইকেলে ফেরি করে ছুটি তুলেছেন এ’প্রান্ত থেকো ও’প্রান্তে নওগাঁর মান্দা উপজেলার আয়াপুর গ্রামের মৃত ইয়াসিন মোল্লার ছেলে শহীদুল মোল্লা। সকাল হলেই জীবন জীবিকার সন্ধানে বের হয়ে পড়েন পণ্যভর্তি বাইসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে। দূর থেকে দেখলে মনে হবে তিনি হয়তো কিছু প্লাস্টিকের সামগ্রী বহন করছেন। কিন্তু বাস্তবে সেই
সাইকেলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার পরিবারের ভাতের থালা, সন্তানের লেখাপড়ার খরচ, বৃদ্ধ মায়ের ওষুধ, আর আগামী দিনের বেঁচে থাকার স্বপ্ন। প্রতিদিন ছুটে চলেন শহীদুল মোল্লা। কখনো অলিগলি, কখনো ব্যস্ত সড়ক, কখনো বাজার, আবার কখনো মানুষের দরজায় দরজায় ঘুরে বিক্রি করেন গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় সামগ্রী। দিন শেষে কত টাকা আয় হবে, আদৌ হবে কি না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তবু থেমে থাকার সুযোগ নেই। কারণ দারিদ্র্য অপেক্ষা করে না, ক্ষুধাও নয়। ব্যস্ত মানুষ তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে তাড়াহুড়ো করে। আর সেই ভিড়ের মধ্যেই নীরবে পথ চলে এই মানুষটি। হয়তো অনেকেই তাকে দেখেন, কিন্তু তার গল্পটি দেখেন না। দেখেন না তার ঘামে ভেজা মুখ, ক্লান্ত চোখ কিংবা অনিশ্চয়তায় ভরা জীবনসংগ্রাম।

তবু এমন মানুষদের কাঁধেই টিকে থাকে সমাজের নীরব অর্থনীতি। তারা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু নন, সংবাদ শিরোনামও হন না। কিন্তু তাদের শ্রমেই সচল থাকে জীবনের অগণিত চাকা। প্রতিদিনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে তারা প্রমাণ করেন, মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার বেঁচে থাকার ইচ্ছা।
জীবন তাকে থামতে শেখায়নি। ক্লান্ত শরীর,অনিশ্চিত আয় আর হাজারো প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি এগিয়ে চলেছেন। কারণ তিনি জানেন, জীবনের চাকা থেমে গেলে থেমে যাবে পরিবারের স্বপ্নও। এরকম সমাজের আনাচে-কানাচে হাজারো শহীদুল মোল্লার গল্প সত্যিই চাপা পড়ে আছে। সংবাদ প্রকাশঃ ১৩-১০-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন