সিটি কর্পোরেশনের নোটিশ অমান্য: কুমিল্লায় বহুতল ভবনের কমন স্পেস ও ছাদ দখলের অভিযোগ

সিটিভি নিউজ।। নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা: =================কুমিল্লা নগরীর পুলিশ লাইন চৌমুহনী এলাকার ‘আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার’-এ নকশা বহির্ভূত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সিটি কর্পোরেশনের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে। সিটি কর্পোরেশন থেকে নোটিশ দেওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলেও অবৈধ অংশ অপসারণ না করে উল্টো পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু করার অভিযোগ তুলেছেন ফ্ল্যাট মালিক সমিতি।
টাওয়ার পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভবনের ভূমি হস্তান্তরকারী মালিকের অংশীদার এ.কে.এম জাহাঙ্গীর কবিরের দুই ছেলে—এডভোকেট শোয়েবুর রহমান ও শিয়াবুর রহমান ভবনের কমন স্পেস হিসেবে ব্যবহৃত ছাদের প্রায় ৭০ শতাংশ জায়গা দখল করে অবৈধভাবে ইটের দেয়াল গেঁথে দুইটি রুম, বাথরুম ও রান্নাঘর তৈরি করেছেন। এসব কক্ষ ভাড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভবনের আবাসিক পরিবেশে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। অতি সম্প্রতি এক ঝড়ে ছাদের অবৈধ দেয়ালের একাংশ ভেঙে নিচের প্রধান সড়কে পড়ে যায়, যাতে ভবনের পানির মেইন পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়।
এর আগে ফ্ল্যাট ও দোকান মালিকদের আবেদনের ভিত্তিতে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (স্মারক নং: ২৪০০, তারিখ: ০১/০৯/২০২৫ইং) অভিযুক্তদের ৭ দিনের মধ্যে নকশা বহির্ভূত অংশ ভেঙে ফেলার নোটিশ দেয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, নোটিশ প্রাপ্তির প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পার হলেও অভিযুক্তরা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি; বরং সম্প্রতি পুনরায় নির্মাণকাজ চালাচ্ছেন।
টাওয়ার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ জামাল হোসেন জানান, “ছাদ ভবনের সকল ফ্ল্যাট মালিকের ব্যবহারের জন্য কমন স্পেস। কিন্তু অভিযুক্তরা তালা ঝুলিয়ে অন্যদের ছাদে উঠতে বাধা দেয়। এছাড়া তারা পানির বিল ও হোল্ডিং ট্যাক্সও নিয়মিত পরিশোধ করছেন না। ইতিপূর্বে বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের কারণে বিদ্যুৎ অফিস ম্যাজিস্ট্রেটসহ এসে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মামলা দায়ের করে। আমরা বারবার অনুরোধ এবং প্রশাসনিক নির্দেশনার পরও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না।”
তিনি আরো বলেন,টাওয়ারের ছাদে ও চতুর পাশে রবি কোম্পানির* নেটওয়ার্ক টাওয়ার স্থাপনা ও ভাড়ি মেশিন ও লোহা জাতীয় সরঞ্জামাদী
স্থাপনা করা হয়েছে।আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং স্পেসে জোরপূর্বক ভাবে দখল ও অবৈধ স্থাপনা করে দোকান ভাড়া দেয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত এডভোকেট শোয়েবুর রহমান বলেন, “আমরা নিয়ম বহির্ভূত কোনো কাজ করিনি। তৎকালীন কুমিল্লা পৌরসভার আমলেই সিটি কর্পোরেশনের বিধিমালা অনুসরণ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমরা নকশার অনুমোদন নিয়েছি। বর্তমানে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগ তুলছে।”
এ বিষয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দ্রুত নকশা বহির্ভূত অবৈধ অংশ উচ্ছেদের জোর দাবি জানিয়েছেন টাওয়ারের বাসিন্দারা। সংবাদ প্রকাশঃ ১৫-০৯-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=