কেয়া গ্রুপের শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন অবিলম্বে কেয়া গ্রুপের ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের চাকরি ফিরিয়ে দিন– অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান

সিটিভি নিউজ।। তৌহিদ হোসেন সরকার সংবাদদাতা জানান ============
অবিলম্বে কেয়া গ্রুপের ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের চাকরি ফিরিয়ে দিন,
২০ ধারার মতো কালো আইন অবৈধভাবে ব্যবহার করে বিনা নোটিশে শ্রমিক ছাঁটাই নতুন বাংলাদেশে মেনে নেওয়া হবে না।গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে কেয়া গ্রুপের চারটি প্রতিষ্ঠানে ৬২৭ শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধনে গার্মেন্টস শ্রমিক উন্নয়ন মঞ্চের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান প্রধান অতিথি বক্তব্যে এ কথা বলেন।
গতকাল মঙ্গলবার (১৫সেপ্টেম্বর) কেয়া গ্রুপের কারখানার সামনে
গার্মেন্টস শ্রমিক উন্নয়ন মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেত্রী কামরুন নাহারের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম নয়ন, গার্মেন্টস দর্জি শ্রমিক কেন্দ্রের সভাপতি সাহিদা সরকার, বাংলাদেশ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কল্যাণের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ লেবার কংগ্রেসের সভাপতি শামীমা আক্তার, কেন্দ্রীয় নেত্রী ফেরদৌসী খান, বাংলাদেশ গার্মেন্টস টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল বাসির, কেন্দ্রীয় সদস্য হাসিবুল হাসান এবং বাংলাদেশ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিমসহ ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, মালিকপক্ষ শ্রম আইনের ২০ ধারার দোহাই দিয়ে কোনো ধরনের আগাম নোটিশ ছাড়াই বিপুলসংখ্যক শ্রমিককে ছাঁটাই করেছে।নতুন বাংলাদেশে আইনের দোহাই দিয়ে বিনা নোটিশে এ ধরনের শ্রমিক ছাঁটাই মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, অতীতে শ্রমিকদের ওপর নিপীড়ন, অন্যায় ছাঁটাই ও বরখাস্তের ঘটনা ঘটলেও শ্রমিকরা ন্যায়বিচার পাননি। এখন আর সেই পরিস্থিতি চলতে দেওয়া হবে না। কেয়া গ্রুপের এত শ্রমিককে হঠাৎ ছাঁটাইয়ের কারণে হাজারো শ্রমিক পরিবারের সদস্যের জীবনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ছাঁটাই করা শ্রমিকদের চাকরিতে পুনর্বহাল এবং তাদের আইনগত পাওনা পরিশোধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান যদি গ্যাস বিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করতে না পারে, তাহলে তার দায় শ্রমিকদের ওপর চাপাতে পারে না। প্রয়োজনে শ্রমিকরা নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে কারখানার গ্যাস বিল পরিশোধ করতেও প্রস্তুত, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই শ্রমিক ছাঁটাই মেনে নেওয়া হবে না।
অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, আজকের মানববন্ধন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে পর্যায়ক্রমে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে। প্রয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কর্মসূচি, সচিবালয় অভিমুখে কর্মসূচি এবং শ্রম অধিদপ্তর ঘেরাও করা হবে। একজন শ্রমিককেও আইনগত পাওনা থেকে বঞ্চিত করতে দেওয়া হবে না।
শ্রম অধিদপ্তরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, কেয়া গ্রুপে ৬২৭ শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি, তার জবাব দিতে হবে। শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতারণা বা তাদের পাওনা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিদ্যমান শ্রমিকদের চাকরি রক্ষা করতে হবে। নতুন করে হাজার হাজার চাকরির প্রতিশ্রুতির আগে যেসব শ্রমিককে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছাঁটাই বন্ধ করা সহ কেয়া গ্রুপের ছাঁটাই করা শ্রমিকদের চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পুরোনো শ্রমিক ছাঁটাই করে কম বেতনে নতুন শ্রমিক নিয়োগের মাধ্যমে শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতারণা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে গার্মেন্টস শ্রমিক উন্নয়ন মঞ্চ মাঠে থাকবে। কোনো হুমকি বা চাপের কাছে শ্রমিক নেতারা মাথা নত করবেন না।
মানববন্ধনে বক্তারা কেয়া গ্রুপের ছাঁটাই করা শ্রমিকদের দ্রুত পুনর্বহাল, আইনানুগ পাওনা পরিশোধ, শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ, ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান। সংবাদ প্রকাশঃ ১৫-০৯-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন