দেবীদ্বার: চাঞ্চল্যকর ফরিদা হত্যাকাণ্ড; হাত-পা’ উদ্ধার না হলেও হত্যায় ব্যবহৃত দা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার

সিটিভি নিউজ।। এবিএম আতিকুর রহমান বাশার// সংবাদদাতা জানান===========

কুমিল্লার দেবীদ্বারে চাঞ্চল্যকর ফরিদা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তৃতীয় দিনে হত্যাকাণ্ডে ব্যাবহৃত দা ও স্বর্ণালংকার এবং টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এখনো উদ্ধার হয়নি মরদেহের হাত ও পায়ের অংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় ছোট আলমপুর এলাকায় ফরিদা ইয়াসমিনের বাসা তল্লাশি করে হত্যা মামলার এসব গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে লাইলী আক্তার ছাড়া হত্যা মামলায় আর কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যা মামলায় আটক লাইলী আক্তারকে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী আক্তারের দেওয়া তথ্যানুযায়ী নিহত ফরিদা ইয়াসমিনের বাসার পাকের ঘর তল্লাশি করে ঐ ঘরের প্রিত‍্যাক্ত একটি ড্রামের চিপায় লোকিয়ে রাখা নিহত ফরিদা ইয়াসমিনের ব্যাবহৃত কানের এক জোড়া দুল, একটি গলার চেইন, একটি আংটি এবং নগদ ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার করেন। একই সাথে লাইলীর তথ‍্যানুযায়ী হত‍্যাকান্ডে ব‍্যবহৃত দা এবং টয়লেটের কমটের ভেতর থেকে আলমিরার চাবি উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতকরা ফরিদা ইয়াছমিনকে অর্ধশত টুকরো করে ১৪ পলি ব‍্যাগে বিভিন্ন স্থানে লেকিয়ে রেখেছিল।

নিহত গৃহবধূ ফরিদা ইয়াছমিন (৫৫) দেবীদ্বার পৌর এলাকার ফতেহাবাদ ভূঁইয়া বাড়ির মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া(৬৫)’র স্ত্রী। এবং যে বাসায় তাকে হত‍্যা করা হয়েছে সে বাসা প্রায় ৩০ বছর আগে ক্রয় করে বসবাস করে আসছেন।

ঘাতক লাইলী আকিতার চারানগর গ্রামের ট্রাক্টর চালক আবুল কালামের স্ত্রী তার স্বামীর সাথে পারিবারিক কলহের জের ধরে ওই বাসার একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। এর আগে দেবর আমীর হোসেন এর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আমির হোসেনের ৫ বছরের মেয়ে ফাহিমা দেখে ফেলায় একইবাড়ির আরো ৩ জনকে ভাড়া করে আমিরহোসেন ও লাইলী আক্তারসহ ৫ জনে মিলে হত‍্যা করে বস্তায় পুড়িয়ে বাড়ি থেকে প্রায় ৭ কিলো মিটার দুরে কাচিসাইর ব্রীজের নিচে ফেলে আসে। এই মামলায় সাড়ে ৪ বছর জেল খেটে জামিনে এসে আবারো এ চাঞ্চল‍্যকর লোমহর্ষক হত‍্যাকান্ড সংঘটিত করে।

উল্লেখ‍্য গত শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোটআলমপুর মোহনা আবাসিক এলাকার মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়ার মালিকানাধীন বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

হত্যার পর ঘটনা আড়াল করতে লাশ টুকরো টুকরো করে ১৪ টি পলিথিনে প্যাকেট করে বস্বাবন্দী অবস্থায় ঘরের পেছনে ও অন‍্যত্র ফেলে রাখে ঘাতকরা। পা’সহ কিছু অংশ এখনো উদ্ধারের বাকী রয়েছে

এ ব্যাপারে সোমবার (১০ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টায় দেবীদ্বার থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান জানান, এ আলোচিত মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। লাইলী আক্তারকে ৩ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা, এবং কিছু স্বর্ণালংকার এবং আলমিরার চাবি উদ্ধার করেছি। তবে তার সাথে আর কেউ জড়িত আছে কিনা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। সে ২০২১ সালে শিশু হত‍্যায় জড়িত ৪ জনের নাম মুখস্ত বলে যাচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছি, সে একাই ঘুমন্ত ফরিদা ইয়াছমিনকে বালিশ চাপায় হত‍্যা করেছে। এবং শরীরের অংশগুলো ঠান্ডা মাথায় টুকরো টুকরো করে পলি ব‍্যাগে পুড়িয়ে বিভিন্ন জায়গায় ফেলেছে। সে নিহতার মাথার চামড়া ছিলে চেহারা বিক্রিত করে ব‍্যাগে পুড়িয়ে প্রকাশ‍্যে বাসার অদুরে ফেলে এসেছে। যা সিসি ক‍্যামেরার ফুটেজে পরিস্কার দেখা গেছে। সংবাদ প্রকাশঃ ১১-০৮-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন