ব্রাহ্মণপাড়া থানায় আইনি জটিলতায় রোদে পুড়ছে, বৃষ্টিতে ভিজছে শত কোটি টাকার যানবাহন

সিটিভি নিউজ।। মোঃ আবদুল আলীম খান সংবাদদাতা জানান ===============
সীমান্তবর্তী উপজেলা ব্রাহ্মণপাড়া বিভিন্ন অপরাধে জব্দ হওয়া শত শত কোটি টাকা মূল্যের যানবাহন বছরের পর বছর খোলা আকাশের নিচে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। মামলার আলামত হিসেবে এসব গাড়ি জব্দ করা হলেও আইনি জটিলতা, মালিকদের অনীহা এবং সময়মতো নিলাম না হওয়ার কারণে খোলা জায়গায় রোদ-বৃষ্টিতে পচে ধ্বংস হচ্ছে মূল্যবান এসব সম্পদ।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদক চোরাচালান, সড়ক দুর্ঘটনা, চুরি ও অবৈধ পণ্য বহনের অভিযোগে মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, ট্রাক, বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ নানা ধরনের যানবাহন জব্দ করা হয়। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো থানার চত্বরেই রাখা থাকে। উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও ছাউনি না থাকায় বছরের পর বছর খোলা আকাশের নিচে পড়ে থেকে অধিকাংশ যানবাহনই এখন ব্যবহারের পুরোপুরি অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, থানা চত্বরের সিংহভাগ জায়গাই জব্দকৃত যানবাহনে দখল হয়ে আছে। দীর্ঘ দিন অযত্নে পড়ে থাকায় অনেক গাড়ির মূল চেহারা চেনার কোনো উপায় নেই। চাকা লিক হয়ে অনেক গাড়ি মাটিতে দেবে গেছে, অনেক গাড়ির বডি মরিচা ধরে খসে পড়ছে। এমনকি কিছু কিছু গাড়ির মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কর্তৃপক্ষের কাছে জব্দকৃত গাড়ির সুনির্দিষ্ট কোনো হিসাব না থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, এসব যানবাহনের মোট বাজারমূল্য শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, যানগুলো এভাবে নষ্ট হওয়ার পেছনে মূলত তিনটি কারণ কাজ করছে—
মালিকদের অনীহা: আইনি ঝামেলা এড়াতে বা অনেক ক্ষেত্রে চোরাই ও মাদক মামলায় জড়ালে মূল মালিকেরা গাড়ি ছাড়িয়ে নিতে আদালতে আবেদন করেন না।
নিলামে বিলম্ব: আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া এসব আলামত প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা সম্ভব হয় না।
যোগাযোগের অভাব: আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে থানা কর্তৃপক্ষ থেকেও নিয়মিতভাবে আদালতের কাছে এসব গাড়ির সর্বশেষ অবস্থা হালনাগাদ করা হয় না।
আইন অনুযায়ী, কোনো দুর্ঘটনার পর গাড়ির মালিক আদালত থেকে নিজ জিম্মায় গাড়ি পাওয়ার আবেদন করলে, পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর আদালতের অনুমতিক্রমে গাড়ি ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়। কিন্তু অধিকাংশ মামলার ক্ষেত্রে আবেদনই জমা পড়ে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, “থানা চত্বরে পড়ে থাকা গাড়িগুলো বিভিন্ন মামলার আইনি আলামত হিসেবে জব্দ করা রয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ আদালতের বিচারাধীন বিষয় এবং আদালতের নির্দেশ ব্যতিরেকে পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে কিছু করার থাকে না। যেসব গাড়ির কোনো দাবিদার বা মালিক পাওয়া যায় না, সেগুলো আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তীতে নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়।” সংবাদ প্রকাশঃ ০২-০৮-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=