সুপারস্টার চিত্রনায়ক,ইলিয়াস কাঞ্চনের জীবনে অলৌকিক ঘটনা

সিটিভি নিউজ।। খন্দকার দেলোয়ার হোসেনঃ সংবাদদাতা জানান –================
১৯৮৯ সাল। ঢালিউডের জনপ্রিয় মেগাস্টার ইলিয়াস কাঞ্চন তখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে। ঠিক তখনই তাঁর জীবনে নেমে আসে এক ঘোর অমানিশা।ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনার মুখোমুখি হন তিনি।
​দুর্ঘটনাটি এতটাই মারাত্মক ছিল যে, তাঁর একটি পা পুরোপুরি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়।পায়ের হাড়গোড়ের অবস্থা এমন বিশ্রী রূপ নিয়েছিল যে, সাধারণ কোনো চিকিৎসার আর সুযোগ ছিল না। বাংলাদেশের চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে স্পষ্ট জানিয়ে দেন—ইলিয়াস কাঞ্চনের এই পা কেটে ফেলা ছাড়া আর কোনো দ্বিতীয় উপায় নেই। 🆗পা না কাটলে তাঁর জীবন বাঁচানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
​জনপ্রিয় একজন নায়কের পা কাটা যাবে, পঙ্গুত্ব বরণ করতে হবে—এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা মেনে নিতে পারছিলেন না কেউ। কিন্তু সেই কঠিন মুহূর্তে দেবদূতের মতো শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন। চিকিৎসকদের কথা শুনে তিনি দমে যাননি,বরং বুকভরা সাহস আর ভালোবাসা নিয়ে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেন।
​জাহানারা কাঞ্চন সেদিন বলেছিলেন:
​”পঙ্গু হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে মৃ/ত্যু/ও ভালো।আমি শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করব, প্রয়োজনে তাঁকে দেশের বাইরে নিয়ে যাব।”
যেমন কথা, তেমন কাজ। চিকিৎসকদের বাধা আর সব অনিশ্চয়তাকে উপেক্ষা করে ইলিয়াস কাঞ্চনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময়ে সিঙ্গাপুরের চিকিৎসা ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিন্তু স্বামীর পা আর জীবন বাঁচাতে নিজের সবটুকু উজাড় করে, প্রচুর টাকা-পয়সা খরচ করে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন জাহানারা কাঞ্চন।
​স্ত্রীর সেই অদম্য ইচ্ছা, ত্যাগ আর ভালোবাসার জয় হয়েছিল। সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকদের নিবিড় চিকিৎসায় অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়ে ওঠেন ইলিয়াস কাঞ্চন। যে পা কেটে ফেলার কথা ছিল, আল্লাহর রহমতে কোনো কাটাছেঁড়া ছাড়াই, কেবল চিকিৎসার মাধ্যমে সেই পা পুরোপুরি ঠিক হয়ে যায়।
​স্ত্রীর অসামান্য ভালোবাসা আর সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তের কারণেই সে যাত্রায় পঙ্গুত্বের হাত থেকে বেঁচে যান বাংলা চলচ্চিত্রের এই মহানায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। সংবাদ প্রকাশঃ ২৮-০৫-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন