কুমিল্লা উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) সাইফুল নেওয়াজ ভূমি সিন্ডিকেটের হয়রানির শিকার

সিটিভি নিউজ।। অনুসন্ধানী প্রতিবেদক ==================
কুমিল্লা সদর উপজেলা উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) সাইফুল নেওয়াজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে একটি কুচক্রীমহল। তার বিরুদ্ধে সময় টিভিতে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। একটি ভূমি ক্রয় বিক্রয় সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি ভূমি কর্মকর্তা সাইফুল নেওয়াজ। সিন্ডিকেটের অবৈধ আবদার, জাল দলিল, খরিজ করতে না দেয়ার কারণে সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে। কতিপয় সিন্ডিকেটের দালালের কারণে দুর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে পারছে না। সাধারণ মানুষ অফিসে আসার আগেই পথিমধ্যে দালাল ও সিন্ডিকেটরা তাদেরকে জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। যার কারণে ভূমি কর্মকর্তা তহশিলদার সাইফুল নেওয়াজে অভিযোগ উঠে। সরকারের স্বার্থ রক্ষার্থে সাধারণ মানুষের সেবা দিয়ে আজ মিথ্যা প্রভাকান্ডার শিকার। কিন্তু সৎ সাহসকিতার কারণে তিনি বিভিন্ন সিন্ডিকেট ও অসাধু ব্যক্তিদের কারণে তার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। সাধারণ মানুষের নামজারি, খাজনা পরিশোধসহ দলিলসংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত কোন অর্থ আদায় করা হয় না। কিন্তু কতিপয় ব্যক্তি সিন্ডিকেটের কারণে তার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান- দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) সাইফুল নেওয়াজ একজন সৎ সাহসি ব্যক্তি। তিনি সরকার ফি’র মাধ্যমে কোন অতিরিক্ত ফি আদায় করেন না। কিন্তু ভূমি অফিসের আশে পাশে জমি ক্রয় বিক্রয় সিন্ডিকেট নিজেদের ফায়দা লুটতে না পারায় সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সময় টিভিতে একটি সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। যার সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই।
এ প্রসঙ্গে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন- উত্তর দুর্গাপুরের তহশিলদার সাইফুল নেওয়াজের কাছে আমার নিকট আত্মীয়ের একটি খারিজের বিষয়ে গেলে তিনি সরকারী ফি ১ হাজার ১৭০ টাকার মধ্যেই খারিজটি করে দেন। একটি টাকাও অতিরিক্ত নেননি।
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার এনসিপির সমন্বয়ক ও উত্তর দুর্গাপুর নিবাসী কামরুজ্জামান বলেন- আমার বাড়ির ভূমির খারিজটি ১হাজার ১৭০ টাকার মধ্যে করেছি। কোন অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়নি এমনকি কোন হয়রানির শিকারও হইনি।
দুর্গাপুর নিবাসীর জামাল হোসেন বলেন-আমার বাড়ির খারিজ করতে গিয়ে আমার সরকারী ফি’র মাধ্যমে খারিজ করেছি। তিনি আরও বলেন-ভূমি কর্মকর্তা সাইফুল নেওয়াজ অত্যান্ত ভালো লোক। তিনি সরকারী ফি’র বাহিরে অতিরিক্ত কোন অর্থ আদায় করেন না।
দুর্গাপুর নিবাসী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন-আমার এলাকাই দুর্গাপুর তহশিল অফিস। বাহিরের এক শ্রেণীর দালাল চক্র রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে থেকে সাধারণ মানুষদের হয়রানি করে। অথচ ভাবমূর্তি নষ্ট হয় সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীর। আমি এই অফিসে বেশ কয়েকটি খারিজ করেছি সরকারী ফি’র মাধ্যমে।
উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার বিএনপি নেতা দুলাল মেম্বার বলেন-উত্তর দুর্গাপুরের তহশিলদার অত্যন্ত ভালো লোক। একটি মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে মিথ্যা প্রভাকান্ড রটাচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি রাষ্ট্রীয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। সংবাদ প্রকাশঃ ০৫-০৫-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন