বুলেট বৈরাগীর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে দেশবাসী সরকারের প্রতি মানবিক আহ্বান

সিটিভি নিউজ।। খন্দকার দেলোয়ার হোসেনঃ সংবাদদাতা জানান =————
এক হৃদয়বিদারক ঘটনার পর আবারও এক পরিবার অনিশ্চয়তা ও অন্ধকার ভবিষ্যতের মুখোমুখি। প্রয়াত বুলেট বৈরাগীর অকাল মৃত্যুতে তার স্ত্রী উর্মী হীরা, একমাত্র সন্তান এবং বৃদ্ধ বাবা-মা আজ গভীর সংকটে পড়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বুলেট বৈরাগী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে একাধিক সরকারি চাকরির সুযোগ পেরিয়ে অবশেষে ৪১তম বিসিএস-এর মাধ্যমে নন-ক্যাডার হিসেবে সহকারী কাস্টমস কর্মকর্তা পদে যোগদান করেছিলেন। কিন্তু মাত্র প্রায় ১ বছর ৩ মাস চাকরি করার পরই তার জীবনাবসান ঘটে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুলেট বৈরাগীর বাবা-মা তাদের সর্বস্ব—জমি, সম্পদ এমনকি স্ত্রীর গহনা পর্যন্ত বিক্রি করে ছেলেকে মানুষ করতে চেষ্টা করেছিলেন। তাদের স্বপ্ন ছিল ছেলে একদিন প্রতিষ্ঠিত হবে, পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে পারেনি।
বিয়ের মাত্র তিন বছরের মাথায় বুলেট বৈরাগীর মৃত্যুর পর স্ত্রী উর্মী হীরা এখন নিজের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি নাকি জানিয়েছেন, “আমি হয়তো তোমাদের ছেলের জায়গা পূরণ করতে পারব না, কিন্তু চেষ্টা করব তোমাদের নিজের বাবা-মায়ের মতো আগলে রাখতে।”
এদিকে সরকারি চাকরির নীতিমালা অনুযায়ী, ৫ বছর পূর্ণ না হওয়ায় প্রয়াত বুলেট বৈরাগীর পরিবার পেনশন বা গ্রাচুইটি সুবিধা নাও পেতে পারে—এমন তথ্যও আলোচনায় এসেছে। ফলে পরিবারটি এখন চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
পরিবারটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তাই দেশবাসীর একটাই প্রত্যাশা—মানবিক বিবেচনায় সরকার যেন উর্মী হীরার যোগ্যতা অনুযায়ী একটি কর্মসংস্থান এবং প্রয়াত কর্মকর্তার পরিবারকে এককালীন আর্থিক সহায়তা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করে।
মানবতার পাশে দাঁড়ান
এই পরিবারটির পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। একজন তরুণ মেধাবী কর্মকর্তার অকাল মৃত্যুতে যেন তার পরিবার সম্পূর্ণ অসহায় না হয়ে পড়ে—এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা। সংবাদ প্রকাশঃ ০২-০৫-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন