সিটিভি নিউজ।। এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি/ ================
কুমিল্লার দেবীদ্বারে জুলুস হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে ভূমিহীন সংগঠনের উদ্যোগে “আমার ভাই কবরে- খুনীরা বাইরে কেন? প্রশাসন জবাব চাই” এ শ্লোগানকে সামনে রেখে
মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে দেবীদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর বাজারে ওই কর্মসূচী পালিত হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, গত ১এপ্রিল কুকুরকে লাথি দেওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের লাথির আঘাতে জুলুস মারা যায়। এ হত্যার সাথে কামালের সহযোগীরা দিব্বী ঘুরে বেড়াচ্ছে। ঘাতক কামালকে গ্রেফতার হলেও তার সহযোগী আনোয়ার, আলী আহাম্মামদ ও ফখরুল মামলার আসামী হয়েও দিব্বী ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের দ্রুত গ্রেফতার না হলে “কুমিল্লা-সিলেট” আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেব।
প্রায় সহস্রাধিক নারী পুরুষের সমন্বয়ে ওই মানববন্ধনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিজেরা করি সংগঠনের বিভাগীয় সমন্বয়ক খাইরুল ইসলাম, রসুলপুর ভূমিহীন সংগঠনের আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক লিল মিয়া, নিহতের স্ত্রী শিউলি আক্তার, ভাতিজা ওমর ফারুক, মোঃ খোকন মিয়া, মোঃ বাছির উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, ভূমিহীন নেতা জজ মিয়া, নিহতের ছেলে ইব্রাহিম প্রমূখ ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য ১ এপ্রিল রাত সোয়া ৭টায় নারায়নপুর গ্রামের মধ্যপাড়ায় আশরাফ আলীর বাড়ির সামনে আরাফাত ষ্টোর নামে একটি চায়ের দোকানে সামনে।
ওই দিন নিহত জুলুস মিয়া ও অভিযুক্ত কামাল হোসেনরা স্থানীয় একটি চা’ দোকানের সামনে বসে চা’ খাচ্ছিলেন। এসময় একটি কুকুর তাদের সামনে এসে বসে। কুকুরটি দেখে জুলুস মিয়া লাথি মেরে সরিয়ে দেন। লাথি মারার ঘটনায় পাশে বসে থাকা কামাল হোসেনসহ তার স্বজনরা তাকে গালমন্দ করেন এবং বলেন, তুই পাগলের বংশ তোর ভাই পাগল হয়ে মারা গেছে। এ কথার জবাবে জুলুস মিয়া তার পায়ের জুতু খুলে কামালের গালে মারে, কামাল ক্ষুব্ধ হয়ে জুলুসের সাথে হাতাহাতির এক পর্যায়ে চেয়ারে বসে থাকা জুলুস মিয়ার গোপনাঙ্গে লাথি মারলে লাথি এবং চেয়ারের চাপে জুলুসের অন্ডকোশ বেড়িয়ে য়ায় হাসপাতালে নেয়ার আগে জুলুস মারা যায়।
নিহত জুলুস মিয়া(৫৫) ওই গ্রামের মৃত সায়েদ আলীর ছেলে। পেশায় তিনি একজন কৃষক ছিলেন।
ওই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিউলি আক্তার বাদী হয়ে একই গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানে ছেলে মূল অভিযুক্ত কামাল হোসেন (৩৫), অভিযুক্ত কামাল হোসেনের ভাই আনোয়ার হোসেন (২৮), আলী আহম্মদ (৩০) এবং চাচাতো ভাই ফখরুল ইসলাম(২৫)কে অভিযুক্ত করে দেবীদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “নিহতের জুলাস মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করার পরই কামাল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে। আসামীরা এলাকায় ঘুড়ে বেড়াচ্ছে এমন তথ্য আমাদের জানা নেই, এ ছাড়া কেউ ওদের বিষয়ে আমাকে অবহৃত করে নি। সংবাদ প্রকাশঃ ০৬-০৪-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ওমর ফারুকী তাপস
মোবাইল: 01711335013
www.ctvnews24.com