দাউদকান্দিতে বসতঘরে আগুন দিয়েও ক্ষান্ত হয়নি দুষ্কৃতিকারীরা: এবার মিথ্যা মামলার ফাঁদে প্রবাসীর পরিবার!

সিটিভি নিউজ।। নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা =====
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি প্রবাসী পরিবারের ওপর অমানবিক নির্যাতন, বসতঘরে অগ্নিসংযোগ এবং পরবর্তীতে মিথ্যা ডাকাতির নাটক সাজিয়ে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার পাঁচগাছিয়া গ্রামে এই নৃশংস অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। আজ কুমিল্লা প্রেসক্লাবে বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলনে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আনিছুর রহমান এ কথা বলেন।
ভুক্তভোগী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পাঁচগাছিয়া গ্রামের মৃত ছালামত বেপারীর ছেলে ওমান প্রবাসী জুলহাসের বসতঘরে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি রাত ৩:৩০ মিনিটের দিকে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় প্রতিপক্ষ মিজান, দিদার ও রবিন গং। এতে ঘরটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয় এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই ঘটনায় দাউদকান্দি থানায় মামলা (নং-০৬) দায়ের হলে পুলিশ ৩নং আসামি রবিনকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে বাকি আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
অভিযোগ উঠেছে, আসামিরা জেলহাজতে যাওয়ার পর তাদের স্বজন রোজিনা, রত্না ও রুমা আক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দিতে থাকে। গত ৬ই মার্চ তারা নিজেদের হাত-পা বেঁধে ঘরবাড়ি তছনছ করে এলাকায় ‘ডাকাতি হয়েছে’ বলে মাইকে ঘোষণা দেয় এবং ফেসবুক লাইভে এসে প্রবাসীর পরিবারের সদস্যদের নাম জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালায়। তবে স্থানীয় পুলিশ ও সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাকাতির কোনো সত্যতা পাননি।
সবশেষ গত ১০ই মার্চ সন্ধ্যায় বিবাদীপক্ষ পুনরায় একটি ষড়যন্ত্রমূলক ঘটনার অবতারণা করে। তারা দাবি করে যে, চান্দিনা পৌরসভার কাঠেরপুল এলাকায় তাদের ওপর সুইচ গিয়ার দিয়ে হামলা করা হয়েছে। এই ঘটনায় রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় একটি মামলা (নং-০৭) দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী মোঃ আনিছুর রহমান বলেন, “তারা আমাদের ঘর পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছে, এখন আবার আমাদের জেলে ঢোকানোর জন্য একের পর এক মিথ্যা নাটক সাজাচ্ছে। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।” তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় বিবাদীপক্ষের মোবাইল লোকেশন ট্র্যাকিং করলে এবং সিডিআর (CDR) পরীক্ষা করলেই তাদের এই সাজানো নাটকের সত্যতা বেরিয়ে আসবে।
এই বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরপেক্ষ বিচারের দাবিতে কুমিল্লার পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। তারা একজন ন্যায়পরায়ণ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের মাধ্যমে ঘটনার সরজমিন তদন্ত ও হয়রানি থেকে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। সংবাদ প্রকাশঃ ০১-০৪-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=