পেকুয়ায় থানার ভেতরে মা-মেয়েকে মারধরের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

সিটিভি নিউজ।। ফরহাদ রহমান কক্সবাজার প্রতিনিধি ============কক্সবাজারের পেকুয়া থানার ভেতরে এক কলেজছাত্রী ও তার মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী জুবাইদা (ছদ্মনাম) কক্সবাজার সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শৈশবেই তার বাবা-মায়ের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। জুবাইদার মায়ের অভিযোগ, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের কারণেই সে সময় বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর জুবাইদাকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে যান এবং নানা কষ্টের মধ্যেও মেয়েকে পড়ালেখা করান।

পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২৩ মে জুবাইদার বাবা মারা যান। এরপর পৈতৃক সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার দাবি করলে তার চাচারা তা অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ। এ বিষয়ে ওয়ারিশ সনদের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে আবেদন করলেও তা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন জুবাইদা।

জুবাইদার অভিযোগ, স্থানীয় এক ইউপি সদস্য—যিনি তার আত্মীয়—ওয়ারিশ সনদ প্রদানে প্রভাব খাটিয়েছেন। পরে বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় গেলে তদন্তের দায়িত্ব পড়ে পেকুয়া থানার পুলিশের ওপর।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, ধারদেনা করে ওই টাকা দেওয়ার পরও তদন্ত প্রতিবেদনে জুবাইদার পিতৃপরিচয় স্বীকার করা হয়নি।

এরপর বৃহস্পতিবার জুবাইদা তার মাকে নিয়ে পেকুয়া থানায় গিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মা-মেয়েকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)কে ডেকে এনে থানার সামনেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয় এবং তাদের এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

পরিবারের দাবি, মারধরের ঘটনায় আহত হলেও মা-মেয়েকে স্বাধীনভাবে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা কারাগারে থাকা অবস্থায় তোলা একটি ছবিতে জুবাইদার মা রেহেনা মোস্তফা রানুর চোখ ও মুখে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন।

তবে এ বিষয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ বা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি উঠেছে। সংবাদ প্রকাশঃ ০৬-০৩-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন