কুমিল্লায় হত্যা মামলার আসামী আমিনুল ইসলাম বাবুল গংদের বিরুদ্ধে বিচার দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন

সিটিভি নিউজ।। কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার কামাল্লা ইউনিয়নের নোয়াপুর গ্রামের গত্যা মামলার আসামী আমিনুল ইসলাম বাবুল গংদের বিরুদ্ধে নানান অপরাধের অভিযোগ এনে বিচার দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন নোয়াপুর গ্রামের হানিফ মিয়া, রুবেল মিয়া, সোহেল মিয়া এবং আফিয়া বেগম। বুধবার সকালে কুমিল্লা নগরীর একটি পার্টি সেন্টারে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে ভুক্তেভুগিরা জানান ঐ এলাকার সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলার আসামী আমিনুল ইসলাম বাবুল ও তার সংগীয়দের অত্যাচারে তারা অতিষ্ট। ২০১৯ সালে ঐ এলাকায় শরীফ নানে এক যুবককে তারা শিা্সরোধ করে হত্যা করে। ঐ হত্যা মামলা চলমান আছে। হত্যা মামলা করায় বাবুল গংরা বাদী পক্ষের লোকদের বিরুদ্ধে নানান হয়রানী মুলক মামলাদায়ের করে আর্থিক ও শারিরিক ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ করে। বর্ত
মান সময়ে সন্ত্রাসী পক্ষ তাদের বাড়ীঘর দখলের পায়তারা করছে বলে জানান ভূক্তভোগিরা। সাংবাদিক সমেলনে বক্তরা বলেন,
আইন অমান্যকারী, মামলাবাজ, অবৈধ ভূমিদখলদার, হত্যা মামলার আসামী আমিনুল ইসলাম বাবুল গংদের বিরুদ্ধে ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার, সামাজিক ও আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে- জানান ——-
আমরা গ্রাম্য সহজ, সরল আইনমান্যকারী এবং অশিক্ষিত বাক্তি হই বটে। কিন্তু স্থানীয়ভাবে আমি আমার ব্যক্তিগত খরিদসূত্রে এবং পৈত্রিক ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত ভূমিতে নিজ ব্যয়ে ফসল উৎপাদন করিয়া বহু অর্থ উপার্জন করিয়া সমাজে প্রতিষ্ঠিত হইবার পর পুনরায় আমি আমার ব্যবসায়িক কার্যক্রম বৃদ্ধি করিবার লক্ষ্যে তাহারই ধারাবাহিকতায় ২০টি গরু বাছুর উত্তরবঙ্গ হইতে আনিয়া উক্ত গরু এবং গাভীগুলোকে নিয়মিত খাবার-দাবার ঔষধ এবং চিকিৎসা সেবা শত্রুষা করিয়া গরুগুলি কোরবানির ঈদের পূর্বে হাটে বিক্রয় করিয়া বহু অর্থ উপার্জন করিয়াছি এবং আমার পালিত গাভী হইতে দুগ্ধ বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করিয়া এবং বিভিন্ন মিষ্টান্ন দোকানে পাইকারী মূল্যে বিক্রয় করিয়া ভালোভাবে লাভবান হইয়া বহু অর্থ কড়ি উপার্জন করিয়া আসিতেছি। আমার উক্ত দিন দিন আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার বিষয়টি স্থানীয় কুচক্রিমহলের কুনজর এবং কুদৃষ্টিত হয়। যাহার ফলে আমার উত্তর-উত্তর লাভ হওয়ায় তাহারা হিংসায় জ্বলিয়া পুড়িয়া আমার সহিত শত্রু ভাবাপন্ন হইয়া নিয়মিত বৈরী আচরণ করিয়া আসিতেছে। আমাকে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন হুমকি, ধমকি ও হেনস্থা করার চেষ্টা করিয়া ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হইয়া অবশেষে কোন কিছু করিতে না পারিয়া অবশেষে সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক অতর্কিতভাবে প্রকাশ করে যে, আমরা তার নিকট থেকে ৫০,০০০/- টাকা বহু পূর্বে হইতে দাবী করিয়া আসিতেছি এবং তাহার বসত বাড়িতে বেআইনীভাবে প্রবেশ করিয়া তাহার নিকট চাঁদা দাবি করি এবং আমাদের মধ্যে থাকা হানিফ ও রুবেল দা দিয়া কূপ দিয়া তাহাকে জখম করি। রশিদ মিয়া তাহার হাতে থাকা রড দিয়া পিটাইয়া বাম হাতের কব্জি উপরে জখম করে এবং তাছাড়া হানিফ মিয়া তাহার নিকট হইতে ১৪,০০০/-টাকা মূল্যের নকিয়া মোবাইল নিয়া যায়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাহারা আরোও অভিযোগ করে তাহাদের চিৎকারে কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত হইলে তাহাদের মধ্যে উপস্থিত একজনকে পিঠে জখম করা হয় এবং আরেকজনের গলা থেকে স্বর্ণের চেইন যাহার ওজন ১ ভরি এবং কানের জিনিস যাহার ওজন ৫ আনা স্বর্ণ নিয়া যাই এবং তারই সাথে আরো অভিযোগ করে আমাদের মধ্যে থাকা হানিফ, তাহার বোন সাক্ষী লাকি আক্তারের গলা হতে ১ ভরি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়। তাছাড়া অভিযোগকারীর মাতা ও পিতাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে ফুলা জখম করে এবং ঘরের দরজা জানালা ভাঙ্গিয়া আনুমানিক ২০,০০০/- টাকার ক্ষতি সাধন করি মর্মে উল্লেখ করিয়া মিথ্যা উক্তির অবতারণায় মোকাম কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৮নং আমলী আদালতে সি.আর মামলা নং- ১১৯/১৬ স্থাপন করেন। যাহা দন্ডবিধি ৪৪৭/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৮৫/৩৭৯/৪২৭/১০৯ ধারা অনুসারে করা হয়। যাহা মিথ্যা মামলা হিসেবে পরবর্তীতে মহামান্য আদালত কর্তৃক খারিজ হইয়া যায় এবং বিভিন্ন আদালতে আমাদিগকে মিথ্যা মামলা দিয়া হয়রানী করিয়া কোর্ট কাচারির দরজায় দরজায় ঘুরাইয়া না খাওয়াইয়া শারীরিক মানসিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রন্থ করিয়া আমাকে এবং আমার পরিবারকে সুদীর্ঘ ১০টি বছর হয়রানী করিয়া প্রায় ৫ কোটি টাকা ক্ষতিসাধন করিয়া হালে আমি আমার পরিবার সহ ব্যবসা জায়গা জমি সব
হারাইয়া নিঃস্বত্ববান হইয়া রাস্তায় বসিবার উপক্রম হইয়াছে। যাহার ফলে আমি ও আমার পরিবার প্রায় আর্থিক, সামাজিক শারীরিক প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করিয়াছেন। শুধু তাই নয় তাহারই ধারাবাহিকতায় আমার আপন ভাগিনা শরীফ আমাকে সহযোগীতা করিলে তাহাকে প্রাণ নাশ করিবেন মারিয়া ফেলিবেন মর্মে হুমকি দিয়া পরবর্তীতে তাহাকে একা পাইয়া বিগত ২৮/০৬/২০১৯ইং তারিখ পার্শ্ববর্তী পুকুরে শ্বাসরুদ্ধ করিয়া বিভিন্ন অস্ত্রসস্ত্র দিয়া আঘাত করিয়া মৃত্যু নিশ্চিৎ করিয়া পানিতে ডুবাইয়া লাশটি ফালাইয়া চলিয়া যায়। যাহারই ফলশ্রুতিতে এই আসামীগণের বিরুদ্ধে GR-১৭২/২০১৯ইং চলিত অবস্থায় আছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের অসহযোগীতা ও আসামীপক্ষ প্রভাব বিস্তার করিয়া তদন্ত রিপোর্ট সঠিকভাবে প্রদান করছেন না। এমতাবস্থায় হত্যা মামলাটি সঠিক ও ন্যায়সঙ্গত রিপোর্ট মহামান্য আদালতে পেশ করার জোর দাবী জানাচ্ছি। সংবাদ প্রকাশঃ ২৫-০২-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=