কুমিল্লায় বেশি উত্তাপে লেবু-শশা-করলা রমজানকে কেন্দ্র করে বাড়ছে কাঁচাবাজারের পণ্যমূল্য

সিটিভি নিউজ।। সৌরভ মাহমুদ হারুন সংবাদদাতা জানান=====
পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে দেশের কাঁচাবাজারে সরবরাহ বাড়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও রমজানে পণ্যমূল্য বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিশেষ করে লেবু, শশা ও করলার দাম স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে।
প্রথম রোজার দিন কাঁচাবাজারে গিয়ে অতিরিক্ত দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি কিনতে বাধ্য হন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। ক্রেতারা প্রতিবাদ করলেও বিক্রেতারা সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন।
সরেজমিনে কুমিল্লা জেলার প্রধান পাইকারি সবজি বাজার নিমসার কাঁচাবাজারসহ ময়নামতি সাহেবের বাজার, ক্যান্টনমেন্ট কাঁচাবাজার, দুর্গাপুর দীঘিরপাড় ও টমসন ব্রিজ কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়—নিমসার বাজার থেকেই জেলার প্রায় সব খুচরা বাজারে সবজি সরবরাহ হয়ে থাকে।
প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, জয়পুরহাট, ভোলা, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, মুন্সিগঞ্জ, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি ও সাভারসহ কুমিল্লার বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া, বরুড়া, লালমাই, চান্দিনা ও দেবিদ্বার উপজেলা থেকে শতশত পাইকার বিভিন্ন পরিবহনে সবজি নিয়ে আসেন। রাতেই এসব পণ্য খালাস ও বিক্রি শুরু হয়। সকাল পর্যন্ত খুচরা ব্যবসায়ীরা এসব পণ্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যান।
নিমসার বাজারে ভোলা থেকে আসা পাইকার খোরশেদ আলম জানান, এক সপ্তাহ আগেও শশা (মারফা) প্রতি কেজি ৩০–৩৫ টাকা ছিল, যা বর্তমানে বেড়ে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট কাগুজি লেবু এক হালি যেখানে ৮ টাকা ছিল, এখন প্রতি পিছ সর্বনিম্ন ৮ টাকা। করলা বিক্রি হচ্ছে ৫০–৬০ টাকায়, গাজর ৩৫–৪০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, খিরা ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০–১৬০ টাকা কেজি দরে।
এছাড়াও ধুন্দুল ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, ক্যাপসিকাম ৮০ টাকা ও বড় সাইজের লেবু প্রতি হালি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ধনেপাতা, লালশাক ও পালংশাক এখনো তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে।
বাজারের মুন্সি বাণিজ্যালয়, বাগেরহাট বাণিজ্যালয় ও এম এস বাণিজ্যালয়ের আড়তদাররা জানান, রমজানকে কেন্দ্র করে পরিবহন ভাড়া কিছুটা বেড়েছে। কখনো পর্যাপ্ত মালামাল না আসায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে।
অন্যদিকে খুচরা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাইকারি দামের তুলনায় দ্বিগুণ বা তিনগুণ দামে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক খুচরা বিক্রেতা জানান, ছোট কাগুজি লেবু পাইকারিতে ৩২ টাকা হালি কিনে ৬০–৭০ টাকায়, শশা ১৫০–১৬০ টাকা, করলা ১৮০ টাকা ও কচুর লতি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ অবস্থায় প্রতিটি বাজারে পণ্যের মূল্যতালিকা টাঙানোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিষয়টি সম্পর্কে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইসরাত হায়দার মামুন বলেন, “পাইকারি ও খুচরা বাজারের দামের ব্যবধান অস্বাভাবিকভাবে বেশি। এতে নিম্ন আয়ের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।” সংবাদ প্রকাশঃ ১৯-০২-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=