হ্নীলা–হোয়াইক্যং সীমান্তে দুই অভিযানে ৯ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

সিটিভি নিউজ।।ফরহাদ রহমান স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার ===================

কক্সবাজারের হ্নীলা–হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত দুই পৃথক অভিযানে সর্বমোট ৯ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। অভিযানের সময় চোরাকারবারিদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটে।

বিজিবি সূত্র জানায়, ১৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রামু সেক্টর-এর সেক্টর কমান্ডারের সরাসরি নির্দেশনায় অতিরিক্ত পরিচালক (অপারেশন)-এর নেতৃত্বে রামু সেক্টর, উখিয়া ও টেকনাফ ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে একটি যৌথ টহলদল অভিযান পরিচালনা করে। টহলদল হ্নীলা বিওপি থেকে প্রায় ১.৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে চৌধুরীপাড়া স্লুইচ গেইট সংলগ্ন এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়।

রাত ১টার দিকে ৮–১০ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মিয়ানমার দিক থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা চ্যালেঞ্জ করলে আগ্নেয়াস্ত্রধারী চোরাকারবারিরা টহলদলের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও ফাঁকা গুলি ছুড়তে বাধ্য হয়। প্রায় এক ঘণ্টা নাফ নদী ও কেওড়া জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় চলে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবির তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে কয়েকজন চোরাকারবারি নাফ নদী হয়ে পিছু হটে এবং ৪–৫ জন গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিজিবি তাদের লক্ষ্য করে কার্যকর গুলি চালায়নি বলে জানানো হয়।

এদিকে, চৌধুরীপাড়া গ্রামে পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারিদের কাছ থেকে ইয়াবা ছিনিয়ে নিতে স্থানীয় একদল সশস্ত্র ডাকাত গুলি ছোড়ে। এতে চোরাকারবারি ও ডাকাতদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণ শুরু হয়। পরিস্থিতির অবনতি হলে বিজিবি সহায়তার জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনী, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও পুলিশকে আহ্বান জানায়। যৌথ বাহিনীর অতিরিক্ত টহল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রামে আধিপত্য স্থাপন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরবর্তীতে নাফ নদী ও সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৭ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বড় উদ্ধার অভিযান।

এর আগে, ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে একই দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় উখিয়া ব্যাটালিয়নের আরেকটি বিশেষ টহলদল হোয়াইক্যং বিওপি থেকে প্রায় ১.৫ কিলোমিটার উত্তরে মনিরঘোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।

দুই পৃথক অভিযানে মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি। উদ্ধারকৃত মাদক টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সংবাদ প্রকাশঃ ১৮-০২-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন