চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনেত্তোর হামলায় ৬০ নেতাকর্মী আহত, সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির অভিযোগ

সিটিভি নিউজ।। মনোয়ার হোসেন: সংবাদদাতা জানান ==================
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ভোট গণনার পর পৌরসভা সহ ৭ ইউনিয়নে বিএনপি নেতা কর্মীদের বাড়িতে জামায়াত নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে বাড়ি ঘর ভাঙচুর করেছে, এ সময় বিএনপির ৬০ জন নেতা কর্মী আহত হয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হারুন অর রশিদ মজুমদার।

শুক্রবার সন্ধ্যায় শহীদ বীর উত্তম জিয়াউর রহমান হলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছিলো নির্বাচন সুস্থ ও নিরপেক্ষ হবে। কিন্তু ১১ ফেব্রুয়ারী রাতেই উপজেলার আলকরা, গুণবতী, কনকাপৈত, জগন্নাথ দিঘি ও চিওড়া ইউনিয়নে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা ভোট কেন্দ্র দখল করে নেয়। এসময় তারা আমাদের এজেন্ট ও নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। ওই রাতে তারা ওই ইউনিয়ন গুলোর কেন্দ্রে ব্যালন্টে সিল মারে। এসকল বিষয়ে আমরা প্রশাসনকে বার বার জানালেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনী। বরং নির্বাচনের দিন উপজেলার দক্ষিণ এলাকায় সবগুলো ভোটকেন্দ্র জামায়াত নেতাকর্মরা প্রশাসনের সহযোগিতায় দখল করে নেয়। নিবাচন শুরুর আগেই আমাদের সকল এজেন্ট কে কেন্দ্র থেকে বাহির করে দেওয়া হয়। প্রশাসনের ছত্রছায়া জামায়াত দক্ষিণ অঞ্চলের সকল কেন্দ্র দখল করে দাঁড়ি পাল্লায় সিল মারে। এ ফলাফল প্রত্যাখান করলাম। ফলাফল স্থগিত করে এ আসনে আবারও নিবার্চন দাবী করেন এ নেতা।

হারুন অর রশিদ মজুমদার আরো বলেন ভোট গণনা শেষে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা পৌরসভা, শুভপুর ইউনিয়ন, বাতিসা, কনকাপৈত, চিওড়া, জগন্নাথ দিঘি, গুণবতী ও আলকরা ইউনিয়নে আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এসময় আমাদের ৬০ জনের অধিক নেতাকর্মী আহত হয়। এরা চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা ও ফেনী শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। হামলার ঘটনায় বিষয়ে একাধিকবার প্রশাসকে জানালেও তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

এছাড়াও আলকরা,গুণবতী, জগন্নাথ দিঘি ইউনিয়ন অসংখ্য বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা বাড়ি ছাড়া করেছেন বলে তিনি দাবি না করেন।

সংবাদ সম্মেলনে পৌরসভা বিএনপির সভাপতি জিএম তাহের পলাশী বলেন ভোট গণনা শেষে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সির ও বিএনপি নেতা মফিজুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে, পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি দিদার ও পৌরসভা মহিলা দলের নেত্রী তাসলিমা বাড়িতে হামলার চালায়, পৌরসভা মহিলা দলের নেত্রী শিখা, শান্ত ও পুতুলকে মেরে গুরুতর আহত করে। পৌর বিএনপির নেতা এনামের বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। এভাবে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীর বাড়িঘর ভাংচুরের বিষয়ে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইন্জিনিয়ার শাহ আলম রাজু, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী রাকিবুল হাসান মহব্বত, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী সহ অনেকেই। সংবাদ প্রকাশঃ ১৪-০২-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন