সিটিভি নিউজ।। মজিবুর রহমান মোল্লা রিপোর্টার, নাঙ্গলকোট================
কুমিল্লা -১০ (নাঙ্গলকোট, লালমাই ) সংসদীয় আসনে ধানের শীষকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির আয়োজনে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা বুধবার উপজেলা বিএনপির কার্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আক্কাস চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন , কুমিল্লা ১০ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
ববক্তব্য রাখেন নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কলিমুল্লাহ চেয়ারম্যান।
বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া বলেছেন, আমরা নিজের নাক কেটে অপরকে সুযোগ-সুবিধা করতে দেবো না। আমি ধ্যার্থহীন ভাষায় বলে দিতে চাই। নাঙ্গলকোটে আপনারা যারা নেতৃবৃন্দ আছেন। আপনারা সবাই নেতা। আপনাদের পদ-পদবী আছে। আমার কোন পদ-পদবী নেই। আমি কর্মী। আমি কর্মী হয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আপনাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকতে চাই। আমি আপনাদেরকে ছেড়ে যাবো না। পদ-পদবী পেলাম না। সেটার জন্য যাবো না। মনোনয়ন পেলাম না। নির্বাচন করতে পারবো না। সেটার জন্য ছেড়ে যাবো না। তবে মহান আল্লাহতায়ালা হলেন বিচারক। তিনি সবকিছু দেখেন, সবকিছ ুশুনেন। ওনার কাছে গায়েবী সবকিছু আছে। আমার হৃদয়ে কি আছে এবং আমার কলবে কি আছে। আল্লাহ জানেন। আমি আল্লাহর কাছে বিচার চেয়ে আপনাদের সবার কাছে যাতে থাকতে পারি সেটা চাই।
আবদুল গফুর ভূঁইয়া আরো বলেন, সবার আগে নাগরিকত্ব ত্যাগের জন্য আমি গত বছরের ১২ আগষ্ট থেকে কাজ শুরু করেছি। আমারদিক থেকে যা করার ৩ ডিসেম্বর তা শেষ হয়েছে। ১৮ জানুয়ারী নির্বাচন কমিশনে শুনানীতে আমার মনোনয়নপত্র বহাল থাকতো। আগামিদিনে কি হবে এটা কি কেউ বলতো পারবো ? আমি কিন্তু যে বিড়ম্বর শিকার হয়েছি। এটা ক্লিয়ার হতে হবে। আমি আপনাদের সাথে কোন প্রতারণা করিনি। কোন লোভে নাগরিকত্ব রাখিনি। এ ভূলটা আপনাদের বুঝতে হবে। আমার এবং মোবাশ্বের মার্কা হচ্ছে ধানের শীষ। এধানের শীষ হচ্ছে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের। যিনি জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। এধানের শীষ হচ্ছে, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মার্কা। আজকে এ প্রেক্ষাপট সৃষ্টি না হলে মোবাশ্বের আমার পাশে থাকতেন না। এখানে অনেক স্বার্থন্বেষী ও কুচক্রি মহল থাকে। যারা ছোট ভাইয়ের সাথে বড় ভাইয়ের বিবেদ সৃষ্টি করে। আপনারা যারা নেতৃবৃন্দ এসেছেন। আমাদের নেতা তারেক রহমান কিভাবে পরিশ্রম করছেন। আপনারা সেটা দেখছেন। আমার মনে হয় তিনি ২৪ঘণ্টার মধ্যে ১৮ঘন্টা দলের জন্য কাজ করছেন। আমি সবসময় আপনাদের বলে আসছি। আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে নাঙ্গলকোটকে মদ, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপমুক্ত একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবো। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, নাঙ্গলকোটে মাদক ব্যবসায়ীও থাকবে না এবং মাদকসেবনকারী থাকবে না। আমি আশা করবো। মোবাশ্বের আজকে যেভাবে কথা বলেছে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যেন তার এরকম প্রতিশ্রুতি থাকে। এর যেন কোন পরিবর্তন না হয়। কারণ আমরা এখানে কেউ চিরজীবি না এবং বেঁচেও থাকবো। আমরা নাঙ্গলকোটে খাদ্য গুদামের সিন্ডিকেট, ইউএনও অফিসের দালাল সিন্ডিকেট এবং থানার কোন দালাল সিন্ডিকেট আমরা রাখবো না। আমরা স্বচ্ছ থাকবো। আমি সবসময় আমার বক্তব্যে বলেছিলাম, আমাদের ইউএনও অফিসের সামনে একটি বোর্ড থাকবে। সে বোর্ডের মধ্যে আমাদের কোন ইউনিয়নে কি বরাদ্ধ এসেছে, কোন রাস্তার জন্য কি বরাদ্ধ এসেছে, সে বরাদ্ধের প্রকল্পের তালিকা এবং বরাদ্ধের পরিমাণ থাকবে। স্বচ্ছভাবে সবাই দেখবে। ইউনিয়ন পরিষদের সামনেও ইউনিয়ন পরিষদের কি বরাদ্ধ এসেছে সেখানে বোর্ড থাকবে। প্রকল্পের নাম এবং বরাদ্ধের পরিমাণ থাকবে। আমাদের নেতা তারেক জিয়ার আগামীদিনের সবার আগে বাংলাদেশের যে কনসেপ্ট । এই ফ্যামিলি কার্ড স্বচ্ছভাবে হবে। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার জন্য কোন দালাল চক্রের হাত যাতে না থাকে আমরা সেভাবে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করবো। কৃষি কার্ড প্রদানেও কোন দালাল চক্র থাকবে না। আমাদের সময় খুব কম। একটি টিম বসে পরামর্শ করে কেন্দ্রভিত্তিক কাজ করতে হবে। ব্যাপকভাবে কেন্দ্রভিত্তিক কাজ করতে হবে।
কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া প্রধান বক্তার বক্তব্যে বলেন, আমি একটি লক্ষ্যকে স্থির করে এখানে এসেছি। সে লক্ষ্য এক ও অভিন্ন। এখানে সর্বশেষ যে কর্মী এবং এখানে সর্বশেষ যিনি আছেন। আমাদের সবার টার্গেট ধানের শীষের বিজয়। সে কাজটি করার জন্য আজকে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা। এর পরে গফুর ভাই সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি কর্মকৌশল নির্ধারণ করবেন। কারণ বড় ভাই হতে হলে জ্বালা আছে। দায়িত্ব বেশি হচ্ছে বড় ভাইয়ের। বড় ভাই কাজও বেশি করে। আবার বদনামও বেশি হয়। আমরা ছোটভাই সুবিধাজনক অবস্থানে আছি। আমার বক্তব্য একটাই, ধানের শীষকে বিজয়ী করে আনতে হবে । এটার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমার কাজ একটা। সেটা হলো, আমি বড়দের সম্মান করি, ছোটদের স্নেহ করি। এতদিন আমাকে শাসনে করার কেউ ছিল না। এখন বড় ভাই শাসন করার জন্য আছেন। আমরা এখান থেকে স্ব-স্ব এলাকায় এবং কেন্দ্রে গিয়ে আপনারা কাজ করেন। কাজের মূল্যায়ন করার দায়িত্ব আমার।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন নাঙ্গলকোট উপজেলা বি এন পি সাবেক আহবায়ক নজির আহম্মেদ ভূঁইয়া, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন নয়ন, উপজেলা যুবদল সাবেক সভাপতি বদিউল আলম বদু, বক্সগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রসুল, নাঙ্গলকোট পৌর সভা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আনোয়ার হোসেন মুকুল, কেন্দ্রীয় ছাত্র দল সাবেক সহ- সভাপতি শোয়েব খন্দকার ,নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রদল সাবেক সভাপতি মাজহারুল ইসলাম ছুপু, নাঙ্গলকোট পৌর সভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাঈন উদ্দিন বাহার প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভাবিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আমিন জসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম মজুমদার শিপু, মিজানুর রহমানসহ উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সংবাদ প্রকাশঃ ০৫-০২-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ওমর ফারুকী তাপস
মোবাইল: 01711335013
www.ctvnews24.com