সিটিভি নিউজ। নিজস্ব প্রতিনিধি- =============
ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সোহেল রানার যোগসাজশে সরকারি রাস্তা দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। দলিলে উল্লেখিত রাস্তার তথ্য গোপন করে অবৈধভাবে নকশা পাশ করানোর মাধ্যমে রাস্তা দখল করে স্থায়ী ভবন নির্মাণে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের একাধিক নোটিশ ও নির্দেশ উপেক্ষা করে কাজ চলমান থাকায় প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের পহেলা এপ্রিল মহেশপুর উপজেলা শহরের পৌর এলাকার পশু হাসপাতাল পাড়ায় ৪ দশমিক ৪৫ শতক জমি ক্রয় করেন মহেশপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা রায়হান উদ্দিনের মেয়ে রাজিয়া খাতুন। জমি দাতা ছিলেন একই এলাকার মাছুমা খাতুন। জমি বিক্রয়ের সময় দলিলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল—সরকারি রাস্তার সাথে সংযুক্ত হিসেবে ৭ ফুট প্রশস্ত একটি চলাচল রাস্তা দিতে হবে।
কিন্তু সম্প্রতি জমি বিক্রেতা মাছুমা খাতুন ও তার ছেলে আতিকুর রহমান পাপ্পু দলিলে উল্লেখিত ওই রাস্তার অংশ দখল করে সেখানে পাকা ভবন নির্মাণ শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে, রাস্তার অস্তিত্ব গোপন রেখে তারা পরিকল্পিতভাবে নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এ কাজে মহেশপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সোহেল রানা দলিলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপেক্ষা করে কিংবা গোপন রেখে নকশা পাশ করে দেন, যা পুরো নির্মাণ কার্যক্রমকে অবৈধ করে তুলেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে মহেশপুর পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ তদন্তে নেমে দলিলে উল্লেখিত রাস্তার অস্তিত্বের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। তদন্ত শেষে নির্মাণ কাজ বন্ধের নোটিশ দেওয়া হলেও মাছুমা খাতুন ও তার ছেলে আতিকুর রহমান পাপ্পু তা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরাসরি নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলেও সেই নির্দেশও মানা হয়নি। প্রশাসনের এমন স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে কাজ চলমান থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
রাজিয়া খাতুন অভিযোগ করে বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী সোহেল রানার প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়া মাছুমা খাতুন ও তার ছেলে পাপ্পুর পক্ষে এভাবে রাস্তার তথ্য গোপন করে নকশা পাশ করানো সম্ভব নয়। তারা পরিকল্পিতভাবে সময়ক্ষেপণ করে ধীরে ধীরে সরকারি রাস্তা দখল করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান পাপ্পুর সাথে কথা বলতে একাধিকবার তার ফোনে কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন তিনি। আর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সোহেল রানা বলছেন, আমরা তাদের নোটিশ দিয়েছি কিন্তু কাজ বন্ধ করছে না। জালিয়াতি করে নকশা করা হয়েছে এবং তার কাজও চলছে কিভাবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা পৌর প্রশাসক সিন্ধান্ত নিবেন।
এ ব্যাপারে মহেশপুর পৌরসভার প্রশাসক ও মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, আমরা জমি দাতার কাছে কারণ দর্শাণোর নোটিশ দিয়েছি। তার জবাব দিয়েছে। এখন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংবাদ প্রকাশঃ ২৮-০১-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ওমর ফারুকী তাপস
মোবাইল: 01711335013
www.ctvnews24.com