ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনার জন্য সৎ যোগ্য ন্যায় পরায়ন দুর্নীতি মুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারী না পাওয়ার আশঙ্কা প্রসঙ্গে

সিটিভি নিউজ।। মুক্তকলাম-===কুমিল্লা জেলায়-সাদা মনের মানুষ নামে খ্যাত মোঃ নুরুল ইসলাম প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি পাঠিয়েছেন। স্মারকলিপিতে তিনি বলেন,==== প্রজাতন্ত্রের অধিকাংশ কর্মকর্তা কর্মচারীরা রাজনীতিবীদদের দুর্নীতিবাজ বানায় না/কি রাজনীতি বিদেরা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারীদের কে দুর্নীতি বাজ বানায় উক্ত বিষয়ে আমরা দেশের স্বাধীনতার সুফল বঞ্চিত জনগণের মতে প্রজাতন্ত্রের অধিকাংশ কর্মকর্তা কর্মচারীরা দেশে দুর্নীতির মূল উদোক্তা যেমন ১। সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজির আহম্মেদ, ২। সাবেক সেনা প্রধান আবদুল আজিজ,৩। ৪০০ কোটি টাকার মালিক পিয়ন মহোদয়, ৪। রূপপুরের বালিশ কান্ড, ৫। টাকার বিনিময়ে চাকুরী প্রদান ও বদলি বানিজ্য করা যা হয় দুর্নীতি সৃষ্টি মূল উৎস, ৫। বাংলাদেশ ব্যাংকের বন্ডে ভিতরে জাল টাকার বান্ডেল রাখা, ৬। প্রকৃত প্রকল্প ব্যয়ের চাইতে বহুগুণ বাড়িয়ে প্রকল্প দাখিল করা, কার্যক্ষেত্রে সঠিক প্রকল্প ব্যয়ের অর্ধেকও না করা, ৭। পিয়ন পেশকার গণের চেহারার দিকে তাকালে বুঝা যায় বিচারক সাহেবগণ বিচার কাজে কতটুকু স্থির আছেন। এরপর গত ১৬ বৎসরে দুর্নীতি করার সুর্বণ সুযোগ পেয়েও যে সকল কর্মকর্তাগণ নিজের ইমান আমল ঠিক রাখা সহ দেশের স্বার্থে দুর্নীতি করেন নাই এমন ব্যক্তিদেরকে পুরস্কারের পরিবর্তে অপমানিত করা হয়েছে। যেমন: মাননীয় সচিব জনাব শফিউল আজিম, যুগ্ম সচিব জনাব ড. আতাউল গণি, যুগ্ম সচিব জনাব কাজী আবু তাহের সহ উনাদের মতো হয়তো আরো অনেকে রয়েছেন। এমন সৎ ন্যায় পরায়ন অভিজ্ঞ দেশ প্রেমিকদের বসিয়ে রেখে অপমানিত করলে ভবিষ্যৎ সৎ ন্যায় পরায়ন কর্মকর্তা কর্মচারী পাওয়ার কি আর সম্ভাবনা থাকে? এখানে আরো উল্লেখ্য আমরা যেমন দুর্নীতিবাজ অসৎ কর্মকর্তা কর্মচারীদের যেমন বিচার চাই, সেই সাথে দেশের স্বার্থে যে সকল কর্মকর্তাগণ দুর্নীতি করেন নাই তাহাদেরকে চিহ্নিত করে তালিকা প্রকাশ করুন। আমরা দেশবাসী তাহাদের পুরষ্কৃত করবো। এরপরই প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে হইতে বহু দেশ প্রেমিকের জন্ম হবে। ফলে দেশ হবে দুর্নীতি মুক্ত আমরা জাতি হিসাবে বিশ^ দরবারে হবো সম্মানিত।
মাননীয় সচিব মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ,
মহোদয়, আপনার নিকট আমরা দেশবাসী সবিনয়ে জানতে চাই, বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় নাই এখন কি কারণে ঘুষ-দুর্নীতি বাড়লো। বেতন ভাতা বাড়লে কর্মকর্তা কর্মচারীরা ঘুষ খাবে না দুর্নীতি করবে না। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ সালে বহুগুণে বেতন ভাতা বৃদ্ধির পর দেখা গেলো বেতন ভাতার সাথে পাল্লা দিয়ে দেশে ঘুষ-দুর্নীতি বাড়ছে। বর্ধিত বেতন ভাতা সবচয়ে বেশি কুফল পড়েছে শিক্ষাখাতে। জ্ঞান দানের আগ্রহ কত প্রশ্ন কিনে ও ঘুষ দিয়ে শিক্ষকতার চাকুরী নেয়। মহান ত্যাগের পেশায় ভোগের জন্ম দিলে যা হয়। বাজারের
দ্রর্ব্যমূল্য বেশি অজুহাতে দফায় দফায় আপনারা বেতন ভাতা বৃদ্ধি করেছেন। যা আমরা সর্ব সাধারণ জনগণের উপর থেকে ভ্যাট, টেক্স, কর ইত্যাদির মাধ্যমে নিয়ে নেন। দেশের বাজারে তো আর দুই রকম দরে দ্রব্য সামগ্রী বিক্রি হয় না। জনগণের অর্থে লেখাপড়া করে বৎসরের ৩৬৫ দিনে ১২০ দিন নির্ধারিত ছুটিসহ পাখার নিচে ছায়ায় বসে সকাল ১০.০০টা হইতে বিকাল ৫.০০টা পর্যন্ত আপনারা অফিস করে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। আর আমরা বৎসরে ৩৬৫দিন রোদে পোড়ে বৃষ্টিতে ভিজে সকাল হইতে রাত্র পর্যন্ত হাটে-ঘাটে, মাঠে
ময়দানে, কলকারখানায় যে কাজ গুলো করি এগুলো কি দেশের উন্নয়নের জন্য করি না? বর্তমান বাজারদর অবস্থায় প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারীগণের একটা পরিবার চলতে যদি দৈনিক ১,২,৩ হাজার টাকা প্রয়োজন হয় অনুরূপ সদস্য সংখ্যার অপর একটি পরিবার ২,৩,৪,৫ শত টাকা দিয়ে কিভাবে চলে? মাছ-মাংস, দেশি-বিদেশী ফলমূল আপনাদের পরিবারেরগুলোর খাইতে মন চায়। আমাদের পরিবারগুলোর কি খাইতে মন চায় না।
আমাদের মহান সেবক,
জুলাই ২০২৪ইং আন্দোলনের পক্ষে সকল রাজনীতিবিদদের নিকট আমরা দেশবাসী সবিনয়ে জানতে চাই, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা ও ঘুষ এই দুইটা আমরা আর দিতে পারবো না। আমরা এখন কোনটা দিতে হবে তা ঠিক করে আমাদের জানান। আর যদি ২টাই দিতে হয় তাহলে আমাদের প্রত্যেকের সন্তানদের যোগতা অনুসারে সরকারী চাকুরী দিলে তাহার প্রচলিত বেতন ভাতার মাত্র অর্ধেক নিবে, এরপর যদি ঘুষ খায় দুর্নীতি করে সাথে সাথে প্রমাণ সাপেক্ষে চাকুরিচ্যুত করে বাড়িতে পাঠিয়ে দিবেন। যা চাকুরিতে যোগদানের পূর্বে অঙ্গীকারনামা হিসেবে লিখে দিবেন। এরপরও প্রত্যেক পদের জন্য শত শত উপযুক্ত শিক্ষিত লোকের আবেদন পরবে। আর যদি কোনটাই না পারেন। তাহলে জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস বলে জনগণের সাথে বারবার প্রতারণা না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের মতো প্রজাতন্ত্রে কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভোটার বানিয়ে তাহাদের ভোটের মাধ্যমে আপনারা এমপি-মন্ত্রী নির্বাচিত হন। তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। নির্বাচন নামক প্রহসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিশাল অর্থ ব্যয় থেকে আমরা সাধারণ জনগণ বেচেঁ যাবো।
মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশানার,
মহোদয়, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নিকট প্রেরিত আবেদনের ছায়ালিপি সংযুক্ত। প্রস্তাবিত প্রক্রিয়ায় যদি সকল রাজনৈতিক দল একমত পোষন করেন তা গণভোটে সংযুক্ত করতে পারেন। রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নির্বাচনী ভোটের ফলাফলের উপর যাহাতে কোন প্রকার জালিয়তি করতে না পারে তাঁহার জন্য রিটানিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরের পাশাপাশি প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের মনোনিত ব্যক্তিদের স্বাক্ষর থাকার ব্যবস্থা নিবেন। ভোট ক্রয় বিক্রয় উভয়ের জন্য নির্বাচনী আইনে দন্ডনীয় অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করবেন। গণভোটের বিষয়ে সহজে ব্যাপক প্রচারণার জন্য প্রত্যেক মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জেমদের অনুরোধ করা যাইতে পারে।
মাননীয় সেনাপ্রধান,
মহোদয়, ১৯৭১ হইতে আরম্ভ করে জুলাই ২০২৪ইং পর্যন্ত আমরা দেশবাসী যতবার ফ্যাসিস্টের কবলে পরেছি আপনারা আমাদেরকে বারবার মুক্ত করেছেন। আমরা দেশবাসী
আপনাদের নিকট কৃতজ্ঞ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর কি ভূমিকা ছিলো বর্তমান প্রজন্ম তা জানার জন্য (৯নং সেক্টর কমান্ডার) দেশপ্রেমিক মরহুম মেজর আবদুল জলিল সাহেবের অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা শিরোনামে বইটি প্রকাশিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো। দেশপ্রেমিক ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা হত্যার সাথে বাহিনীতে থাকা বিশ^াসঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। সেই সাথে বর্তমান জাতীয় সংসদ নির্বাচন আপনারা সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভাবে করে দেশবাসীকে একটি সুন্দর সু-শৃঙ্খল নির্বাচন উপহার দিয়ে বিশ^ বাসীকে জানান দিয়ে দিবেন। সেইসাথে আপনাদের নেতৃত্বে প্রত্যেক ভোট কেন্দ্র এলাকায় স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে শান্তি-শৃংখলা রক্ষার্থে কমিটি গঠন করতে পারেন।
প্রিয় ভোটার ভাইগণ
আপনাদের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিগত ৩টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা ভোট দিতে পারেন নাই। আজ যাদের জীবন পঙ্গুএের বদৌলতে ভোটঅধিকার ফিরে পেয়েছেন তাঁহাদের কথা স্বরণে রেখে দেশের স্বার্থে আর কোন দিন ভোট বিক্রি করবেন না। যাকে ভোট দিবেন তাঁকে স্বাধ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা করবেন। তখন নির্বচিত ব্যাক্তি সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ লালন পালন করবে না। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে ঘুস খাইতে ও দুর্নিতি করতে বাধা দিবেন। এক দিনের জন্য ভোট বিক্রি না করলে পাঁচ বৎসর থাকবেন সুখ-শান্তি ও নিরাপদে ।
স্বাধীনতা সুফল বঞ্চিত জনগণের পক্ষে =========মোঃ নুরুল ইসলাম
বিশিষ্ট গুনীজন ২০০৮
আদর্শ সদর, কুমিল্লা।
মোবাইল: ০১৭২৭-২৩৯৫৫২
সংবাদ প্রকাশঃ ২৪-০১-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=