মুরাদনগরে রাতের আঁধারে কৃষিজমি সাবাড় প্রশাসনের দ্বারে ঘুরেও প্রতিকারহীন কৃষকরা

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের গুঞ্জুর বিলে আইন অমান্য করে ভেকুর মাধ্যমে এ ভাবে মাটি কেটে কৃষিজমি সাবাড় করে দিচ্ছে মাটিখেকো একটি চক্র।

সিটিভি নিউজ।। বিল্লাল হোসেন, মুরাদনগর থেকে ঃ সংবাদদাতা জানান ====
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের গুঞ্জুর বিলে আইন অমান্য করে কৃষিজমির মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। ভেকু দিয়ে ফসলি জমির মাটি কেটে নেওয়ায় পাশের জমিগুলো ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর প্রতিকার মেলেনি। ফলে বিলের শত শত একর ফসলি জমি নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গকুলনগর গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে প্রবাসী হেলাল মিয়া তার জমির মাটি বিক্রি করেছেন একই গ্রামের মালু মিয়ার ছেলে আল-আমিন ও বাখরনগর গ্রামের মালেক মিয়ার ছেলে প্রবাসী মাহবুবের কাছে। চক্রটি দিনের বেলায় ভেকু মেশিন পাশের জমিতে লুকিয়ে রাখে এবং রাত গভীর হলে মাটি কাটার কাজ শুরু করে। বর্তমানে তারা পুকুরের পাড় বাঁধার নাম করে মাটি কাটলেও মূলত গভীর গর্ত করে কৃষি জমির শ্রেণি পরিবর্তন ও মাটি লুটের পরিকল্পনা করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ফসলি জমি থেকে অপরিকল্পিত ভাবে মাটি কেটে নেওয়ায় পাশের সুস্থ জমিগুলো ভারসাম্য হারিয়ে বিলীন হতে চলেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানায়, তারা বারবার বাধা দিলেও প্রভাবশালী এই চক্রটি কারও তোয়াক্কা করছে না। বরং রাতের অন্ধকারে দ্রæতগতিতে মাটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে গত ২৮ ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করলে তিনি প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দেন। গত ২ সপ্তাহ ধরে এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী কৃষকরা বিষয়টির ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রæত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি (টপ সয়েল) কাটা বা জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা দÐনীয় অপরাধ। অথচ প্রশাসনের নাকের ডগায় গুঞ্জুর বিলে দীর্ঘ সময় ধরে এই অবৈধ কর্মকাÐ চললেও রহস্যজনক কারণে নীরব ভ‚মিকা পালন করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দ্রæত এই মাটি কাটা বন্ধ করা না হলে গুঞ্জুর বিলের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি চাষাবাদের অযোগ্য হয়ে পড়বে এবং পরিবেশের ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটবে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবাদীরা। সংবাদ প্রকাশঃ ১৪-০১-২০২৬ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like)
আরো পড়ুন