কুমিল্লাতেও প্রার্থী বদলের গুঞ্জন, তবে জনগণের আস্থা যেখানে—সেখানেই জয়

সিটিভি নিউজ।। কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং–ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির ধানেরশীষ প্রতিকে প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্তদের মধ্যে হাজি জসিম উদ্দিন জসিম এর নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কারণটা স্পষ্ট—তিনি এই এলাকার মাটি ও মানুষের সঙ্গে টানা ৩০ বছর ধরে নিবিড়ভাবে যুক্ত। ঝড়-বৃষ্টি, বন্যা করোনা কিংবা দুঃসময়ে যখন মানুষ পাশে কাউকে খুঁজেছে, হাজি জসিম উদ্দিন জসিম তখন থেকেছেন তাদের সঙ্গে। তাই তাঁর নাম উচ্চারিত হলেই স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া—“এই মানুষটাই তো আমাদের আপনজন।”
ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরী বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত একজন কর্মী ও অংশগ্রহণকারী হিসেবে বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে শুধু দল নয়—মানুষের সেবা, তাদের বিশ্বাস অর্জন এবং এলাকার উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া। আমরা যারা বিএনপি ও সমমনা দল থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে চাই, সবাই কোনো না কোনোভাবে দল ও দেশের জন্য অবদান রেখেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত দেবে দল ও জনগণ। কুমিল্লা-৫ আসনের ভোটাররাই নির্ধারণ করবেন, কে আসলে তাদের এলাকার জন্য সবচেয়ে যোগ্য প্রতিনিধি।”
এখন রাজনীতি অনেকটা দাবার ছক—যেখানে কৌশল, ক্যারিশমা আর সময়ের সঠিক হিসাব মিলিয়ে চলতে হয়। সারাদেশের মতো কুমিল্লার বেশ কয়েকটি আসনেও প্রার্থী পরিবর্তনের আন্দোলন চলছে; সবাই চাইছে যেন ফাইনাল তালিকায় নিজেদের নাম থাকে। পাশাপাশি বিএনপির সমমনা জোট বা যুগপৎ আন্দোলনকারী দলগুলোর পক্ষ থেকেও দাবি উঠেছে—বিএনপি যেন কিছু আসনে নিজেদের প্রার্থী পরিবর্তন করে শরিক দলের যোগ্য কাউকে মনোনয়ন দেয়।
বিএনপি ও শরিক দলগুলোর আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। তাই কার ভাগ্য উজ্জ্বল হবে, তা এখনই বলা কঠিন। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার—রাজনীতিতে কিছুই অসম্ভব নয়। দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে আপাতভাবে রদবদলের কোনো ইঙ্গিত না থাকলেও শেষ মুহূর্তে অনেক কিছুই বদলে যেতে পারে।
ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরী আরও বলেন, “আমার প্রত্যাশা—বিএনপি এমন একজনকেই বেছে নেবে, যিনি ত্যাগী, যোগ্য, জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বড় কথা—জনগণের আস্থার প্রতীক। সেই প্রার্থীই হোক কুমিল্লা-৫ এর সত্যিকারের অভিভাবক।”
ভারেল্লা উত্তর ইউনিয়ন এর রামচন্দ্র পুর ভূইয়া বাড়ির এবং কংশনগর বাজারের একজন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ মোঃ জাকির হোসেন ভূইয়া বলেন আমরা চাই একজন নম্র ভদ্র রাজনৈতিক ব্যক্তি যিনি সকল শ্রেনী পেশার লোকজনের সুখ ও দুঃখ বুঝেন। এই জনপদের মানুষ চায় নিরাপদ এলাকা। আইন শৃঙ্খলা যেমন স্বাভাবিক থাকে চুরি ডাকাতি ছিনতাই থেকে যেন মানুষ রক্ষা পায়। এক কথা আব্দুল মতিন খসরু ছিলেন সকল শ্রেণীর লোকজনের নিকট গ্রহণ যোগ্য ও ক্লিন ইমেজের লোক। তাঁরমতো এমন রাজনৈতিক ব্যক্তি আর হবে কি না জানি না. তিনি ছিলেন সকলদল মতের উর্ধে। তবে এই লোকের মত এ আসনে আর কোন ক্লিন ইমেজের লোক এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। আর যারা ক্লিন ইমেজের লোক আছে তারা আদো শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেন কিনা তাও বলা যাচ্ছেনা। কিন্তু আব্দুল মতিন খসরুর এই সংসদীয় আসনে এমন মানুষ চাই যাদের কাছে জনগন যুব সমাজ নিরাপদ থাকবে এবং এলাকা থাকবে মাদক মুক্ত। এই সংসদীয় আসনের ভোটার ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম তার মন্তব্যে বলেন, বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া এলাকাটি হলো ভারতীয় সীমান্ত এলাকা, এই এলাকার বেশীরভাগ মানুষ দরিদ্র ও বেকার। এই বেকার ও দরিদ্রমানুষের কর্মসংস্থানের জন্যে কলকারখানা স্থাপন করতে পারবে এবং মাদক নির্মুল করতে পারবে এমন এমপি প্রার্থি চাই। সংবাদ প্রকাশঃ ১১-১১-২০২৫ ইং সিটিভি নিউজ এর (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like> See More =আরো বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে লিংকে ছবিতে ক্লিক করুন= ==আরো =বিস্তারিত জানতে কমেন্টসে নিউজ লিংকে ক্লিক করুন=