দিনাজপুর খানসামায় বাঁশের সাঁকোটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত

সিটিভি নিউজ।।      দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি নয়ন   সংবাদদাতা জানান === দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ানগড়-আলোকডিহি গ্রামের মধ্যবর্তী ইছামতি নদীর ওপর খগেনশাহ ঘাটে বাঁশের সাঁকোটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছেন উত্তরা ইপিজেডের কর্মীসহ এলাকার প্রায় ২ হাজার মানুষ।

সাঁকোটি প্রায় ১২০ মিটার দীর্ঘ। তবে এর প্রায় ৫০ মিটার শুধুমাত্র দুটি বাঁশের ওপর দিয়েই লোকজন চলাচল করছে। বাকিটুকুর বাশঁ-খুটি পচে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক স্থানের পচা বাঁশ খসে পড়েছে। সাঁকোতে উঠলে থরথর করে কাঁপতে থাকে। ফলে এ সাঁকো দিয়ে যানবাহন তো দূরের কথা মানুষজনই ঠিকমত চলাচল করতে পারে না। তারপরও অনেকে সাইকেল মাথার ওপর তুলে একহাত দিয়ে বাঁশ ধরে ঝুঁকিপৃুর্ণভাবে পার হচ্ছেন। সাঁকোটির পশ্চিম-দক্ষিণ পার্শ্বে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পূর্ব পার্শ্বে একটি বাজার রয়েছে।

এছাড়াও সকাল ৬ টা হতে সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত এবং বিকেল ৪টা হতে রাত ৮ টা পর্যন্ত প্রায় ৭০০/৮০০ ইপিজেড কর্মী ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে সাঁকোটি পার হচ্ছেন। বাজারের লোকজন অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে পার হয়ে বাজার করেন। আর মোটরসাইকেল, ভ্যানগাড়িসহ যানবাহন গুলো সাঁকোর উত্তর ও দক্ষিণ পাশের ৫/৬ কি.মি. ঘুরে যাতায়াত করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ১৮/২০ বছর আগে থেকে তারা নিজেরাই বাঁশ দিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো তৈরি করে চলাচল করেন। তবে গত দু’বছর ধরে এলাকার নেতাকর্মীরা সেতু করে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন। তাই সাঁকোটির কোন সংস্কার না করায় গত ৬ মাস ধরে এই অবস্থা।

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সাঁকোটি এখন আর এলাকাবাসীর কোনো কাজেও আসছে না। শুষ্ক মৌসুমে এ নদীতে পানি শুকিয়ে গেলে এলাকার লোকজন হেঁটে পার হয়। তবে বর্ষায় সাঁকোটির নিচে পানি জমে থাকায় ভাঙ্গা সাঁকোতেই ঝুঁকি নিয়ে তারা চলাচল করে। এই নদীর ওপর তাদের ব্রীজ নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। বারবার তাগিদ দেয়া হলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বারবার আশ্বাস দিলেও পরবর্তিতে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয় নি।

আঙ্গারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা আহমেদ শাহ্ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি নয়ন কে জানান , সাঁকো সংস্কারে প্রতিবছর অনেক টাকা খরচ হয়। তাই সাঁকোর পরিবর্তে সেতু স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন দিয়েছি। এমনকি সেতু স্থাপনের জন্য উপজেলা মাসিক সভায় প্রস্তাবও করেছি। সংশ্লিষ্ট দপ্তর ত্রাণের সেতু করে দিবেন বলে জানিয়েছেন।

সংবাদ প্রকাশঃ  ২২২০২০ইং (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like সিটিভি নিউজ@,CTV NEWS24   এখানে ক্লিক করে সিটিভি নিউজের সকল সংবাদ পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুনসিটিভি নিউজ।। See More =আরো বিস্তারিত জানতে লিংকে ক্লিক করুন=

Print Friendly, PDF & Email