১৮০ বছর পর শহরের মর্যাদায় ফিরল জিব্রাল্টার

সিটিভি নিউজের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন

সিটিভি নিউজ।।      এখন থেকে জিব্রাল্টারকে আনুষ্ঠানিকভাবে শহর বলা যাবে। যদিও ১৮০ বছর আগে এ মর্যাদা দিয়েছিলেন রাণী ভিক্টোরিয়া। খবর বিবিসি।

চলতি বছরের শুরুর দিকে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সিংহাসনে বসার ৭০ বছর পূর্তি বা প্লাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে কিছু অঞ্চলকে শহরের মর্যাদা দেওয়ার ঘোষণা আসে। ব্রিটেনের বিদেশী ভূখণ্ড জিব্রাল্টার সে প্রতিযোগিতায় জিতে গেল।

কিন্তু যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল আর্কাইভস ঘেঁটে গবেষকরা জানতে পেরেছেন, ১৮০ বছর আগে অর্থাৎ, ১৮৪২ সালে জিব্রাল্টার শহর হিসেবে গণ্য হয়।

এখন বিখ্যাত ‘পাথরখণ্ড’টির মর্যাদা পুনরায় নিশ্চিত হওয়া গেল। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এর ‘সমৃদ্ধ ইতিহাস ও গতিময়তা’ উদযাপনকে প্রশংসাযোগ্য বলে বর্ণনা করেছেন।

প্লাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় ৩৯টি স্থানের নাম আসে। সেখান থেকে জিব্রাল্টারসহ আটটি শহরের মর্যাদা পায়। অন্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ডোনকাস্টার, ব্যাঙ্গর ও ডানফার্মলাইন।

সাধারণত কোনো ক্যাথেড্রাল, বিশ্ববিদ্যালয় বা বৃহত্তর জনসংখ্যার সঙ্গে যুক্ত থাকে শহরের মর্যাদা। তবে এর জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। বরং মন্ত্রীদের পরামর্শে রাজা কর্তৃক পুরস্কৃত হয়ে কোনো এলাকা শহরের মর্যাদা পায়। এতে শহরবাসী গর্ববোধ করলেও এর বস্তুগত সুবিধা খুবই কম।

সরকারিভাবে বলা হচ্ছে, রানী ভিক্টোরিয়া উপাধি দেওয়ার পরে তালিকা থেকে জিব্রাল্টারকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তবে কীভাবে তা হয়েছিল স্পষ্ট নয়।

মূল ভূখণ্ডের বাইরে যুক্তরাজ্যের অধীনস্ত পাঁচটি অঞ্চলের একটি জিব্রাল্টার। অন্যগুলো হলে বারমুডার হ্যামিলটন, সেন্ট হেলেনার জেমসটাউন, আইল অব ম্যানের ডগলাস ও ফকল্যান্ডসের স্ট্যানলি।

স্পেনের সঙ্গে যুদ্ধের পর এক শান্তিচুক্তির মাধ্যমে ১৭১৩ সালে ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলটির মালিকানা পায় ব্রিটেন। জিব্রাল্টার ব্রিটিশদের অন্যতম সামরিক ও নৌঘাঁটি। যার আয়তন ২.৬ বর্গমাইল। সেখানকার রক অব জিব্রাল্টারের পাদদেশে প্রায় ৩৪ হাজারের বেশি মানুষের বসবাস।

জিব্রাল্টার মূলত এর প্রণালির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যা পশ্চিম আটলান্টিক মহাসাগরকে পূর্ব ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে। পৃথক করেছে ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোকে।

সংবাদ প্রকাশঃ  ২৯-০-২০২২ইং সিটিভি নিউজ এর  (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like  See More =আরো বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন=  

Print Friendly, PDF & Email