যে রঙের পোশাক পরলে মশা ভুলেও কামড়াবে না!

সিটিভি নিউজের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন

সিটিভি নিউজ।। লাইফস্টাইল।।      ঋতু পরিবর্তনের পালা বদলে প্রকৃতিতে শীত বিদায় নিয়ে আগমন ঘটেছে বসন্তের। আর সেই সঙ্গে ধীরে ধীরে আনাগোনা শুরু হয়েছে মশা নামক ছোট ভেমপেয়ারটির। রক্ত চোষা এ ক্ষুদ্র প্রাণী থেকে কীভাবে বাঁচবেন জানেন কি?মশা শীতল রক্তের প্রাণী। এরা শীতে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারে না। তাই জীবন বাঁচাতে তারা হাইবারনেশন বা শীতনিদ্রায় চলে যায়। একটানা ৬ মাস পর্যন্ত তারা হাইবারনেশন চালিয়ে যেতে পারে। শীত কমার সঙ্গে সঙ্গে এরা বিভিন্ন গর্ত থেকে শীত নিদ্রা ভেঙে শুরু করে মানুষের রক্ত শুষে নিতে।

মূলত খাবার আর বংশ বিস্তারের জন্যই এরা মানুষকে খাবারের তালিকায় রেখেছে। মশার কানের সামনে গান গাওয়া বা কামড়ানো দুটোই আমাদের জীবনকে করে তোলে অতিষ্ঠ। ফলে আমরা আক্রান্ত হই নানা রকম রোগেও।মশা থেকে বাঁচার উপায় কী? অনেকেই লিকুইডেটর, মশার ধূপ, মশারি, কয়েল, মশা তাড়ানোর ক্রিম বা স্প্রের কথা বলবেন। কিন্তু এতে তেমন কোনো কাজ হয় না।

তাই মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার আরও একটি পন্থার কথা সামনে আনলেন গবেষকরা। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, মানুষের নিঃশ্বাস থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড বুঝতে পারে মশা। তাতে তাদের চোখ খুলে যায়।

মানুষের গায়ের রং যাই হোক না কেন মানুষের চামড়ায় একটা লাল রং থাকে। যা মশারা খুব ভালো দেখতে পায়। দেখতে পায় লালের কাছাকাছি কমলা রঙও। এছাড়া কালো রং তাদের আকর্ষিত করে। আকর্ষিত করে নীলচে সবুজ রংও। তাই এই রংগুলোর দিকে দ্রুত ধেয়ে আসে তারা।

গবেষণায় গবেষকরা লক্ষ্য করেছে, এই সব রং দেখে তারা মনে করে সেখানে তারা তাদের খাবার পেতে পারে। তাই মশার কামড় থেকে বাঁচতে চাইলে এসব রঙয়ের পোশাক মোটেও পরা যাবে না।
গবেষকেরা আরও জানিয়েছেন, মানুষের নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইডের দ্বারা তাদের চোখ খুলে যাওয়ার পরও সবুজ, নীল, বেগুনি এবং সাদা রংগুলো নজরে এলেও মশারা সেদিকে যাওয়া পছন্দ করে না। তাই মশা থেকে বাঁচতে এ রঙের পোশাকগুলো পরতে পারেন। এসব রঙয়ের পোশাক গায়ে থাকলে মশারা কাছে ঘেঁষবে না এমনটাই দাবি করেছেন ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। ==সূত্র: ইন্টারনেট।

Print Friendly, PDF & Email