পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই এমন প্রতিষ্ঠানকেই বালুমহাল ইজারা দেওয়ার অভিযোগ

সিটিভি নিউজের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন

সিটিভি নিউজ।।   নিজস্ব সংবাদদাতা জানান==  কুমিল্লা গোমতী নদীর সদর উপজেলা অংশে ৬টির মধ্যে ৫টি বালুমহাল পরিচালনায় পূর্বঅভিজ্ঞতা নেই এমনদেরকে   ইজারা দেওয়ার অভিযোগ করেছে ইজারা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান। একই সাথে বালুমহাল ইজারা পাওয়া মেসার্স এম রহমান এর যথাযথ কাগজপত্র না থাকার অভিযোগ করা হয়।
জেলা বালুমহাল ব্যস্থাপনা কমিটি, কুমিল্লা গোমতী নদীর বালুমহাল ইজারা দরপত্রের সাথে যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত চেয়ে দরপত্র আহবান করেছে মেসার্স এম রহমান এর জমা করা দরপত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল না বলে সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করেন দরপত্রে অংশ নেওয়া মেসার্স রিফাত কন্সট্রাকশন, মেসার্স মোঃ শাহজাহান, ও নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।
কুমিল্লা গোমতী নদীর সদর উপজেলা অংশের ৬টি বালুমহাল ১ বছরের জন্য ইজারা নিতে ৪টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়, এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতা নির্বাচিত হয় মেসার্স এম রহমান। গত ২২ মার্চ বিকাল ৪টায় সকল প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ইজারাদারদের উপস্থিতিতে দরপত্র খোলা হয়। সেখানে এম রহমান এর যথাযথ কাগজপত্র না থাকার বিষয়ে অভিযোগ করেন অন্য অংশ গ্রহনকারিরা। মেসার্স এম রহমান এর দরপত্রের সাথে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী স্ক্র্যাচ ম্যাপ, বালুমহাল পরিচালনার পূর্বের অভিজ্ঞতা সনদ, আয়কর সার্টিফিকেট সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার বিষয়টি অবগত করে লিখিত আপত্তি জানায় মেসার্স রিফাত কন্সট্রাকশন, মেসার্স মোঃ শাহজাহান, ও নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন এ তিনটি প্রতিষ্ঠান।
ইজারায় অংশ নেওয়া দরপত্র অংশগ্রহণকারীদের সকল কাগজপত্র সঠিক আছে কিনা তা দেখার জন্য দরপত্র মুল্যায়ন কমিটির কাছে পাঠানো হয়। রোববার ১১টায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা বালুমহাল ব্যস্থাপনা কমিটির সভায় এম রহমান কে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত করে ইজারা প্রদান করা হয়। এতে আপত্তি জানায় অন্য অংশ গ্রহনকারিরা। মেসার্স মোঃ শাহজাহান এর স্বত্তাধীকারি মোঃ শাহজাহান জানান, যে প্রতিষ্ঠান বালুমহাল পরিচালনার ইজারা পেয়েছে তাদের পূর্বের কোন অভিজ্ঞতা নেই, দরপত্রের সাথে চাহিদা অনুযায়ী কাগজপত্রও দেওয়া হয় নাই, তারা কিভাবে ইজারা পায়। তিনি জানান সঠিকভাবে রাজস্ব দিয়ে আমরা বালুমহাল পরিচালনা করছি, ৫টি ঘাটে বালু রাখার জন্য জমি ক্রয়, বালু তোলার নৌকা তৈরি করতে কয়েক কোটি টাকা পুঁজি খাটানো হয়েছে। এমন অবস্থায় অভিজ্ঞতা ও কোনপ্রকার কাগজপত্র না থাকা সত্তেও নতুন একটি প্রতিষ্ঠানকে বালুমহাল ইজার দেওয়ায় আমরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

সংবাদ প্রকাশঃ  ৩০২০২০ইং (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like সিটিভি নিউজ@,CTV NEWS24   এখানে ক্লিক করে সিটিভি নিউজের সকল সংবাদ পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুনসিটিভি নিউজ।। See More =আরো বিস্তারিত জানতে লিংকে ক্লিক করুন=

Print Friendly, PDF & Email