না’গঞ্জে জিসা মনি কান্ডে আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন ওসি ও বরখাস্তকৃত এসআই

সিটিভি নিউজ, এম আর কামাল, নারায়ণগঞ্জ থেকে জানান : নারায়ণগঞ্জে স্কুলছাত্রী জিসা মনিকে অপহরণ মামলায় গ্রেফতার তিন আসামির কথিত গণধর্ষণ ও হত্যার জবানবন্দি এবং স্কুলছাত্রীর জীবিত ফেরার ঘটনার আদালতে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সদর মডেল থানার ওসি ও সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নূরুন্নাহার ইয়াসমিনের আদালতে উপস্থিত হয়ে তারা ব্যাখ্যা দেন। এর আগে গত ২৭ আগস্ট আদালত সশরীরে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালত পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান জানান, দুই কার্যদিবসের মধ্যে মামলার পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চান আদালত। পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান ও সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (বরখাস্ত) শামীম আল মামুন। আদালতে তারা তাদের ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন।
তবে আদালতের কাছে তারা কী বলেছেন তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তদন্তাধীন মামলার বিষয়টি নিয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এদিকে মামলার বর্তমান ও সাবেক তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর নথিপত্র নিয়ে হাইকোর্টে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
গত ৪ জুলাই নিখোঁজ হয় জিসা মনি। পরে অপহরণ মামলা দায়ের করা হলে তিন আসামিকে গ্রেফতার করে সদর মডেল থানা পুলিশ। আসামিরা গত ৯ আগস্ট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে তারা জানায়, জিসা মনিকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়। তবে ২৩ আগস্ট ওই স্কুল ছাত্রী জীবিত ফিরে এসে জানায়, সে তার প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে সংসার করছিল। এ ঘটনায় চারদিকে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পুলিশের তদন্ত ও আদালতে দেওয়া তিন আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রশ্নবিদ্ধ হয়। জবানবন্দির সাথে প্রকৃত ঘটনার সামঞ্জস্য না থাকাতে পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তকার্যে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ব্যাপক সমালোচনার মুখে গত ২৬ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম আল মামুনকে সদর মডেল থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয় এবং পরবর্তীতে চাকুরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এই মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুল হাইকে।
জিসা মনির অপহরণ মামলায় কারাগারে রয়েছেন বন্দর উপজেলার বুরুন্ডি খলিলনগর এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ (২২), তার বন্ধু বুরুন্ডি পশ্চিমপাড়া এলাকার সামসুদ্দিনের ছেলে রকিব (১৯), বন্দরের একরামপুর ইস্পাহানি এলাকার বাসিন্দা নৌকার মাঝি খলিলকে (৩৬) এবং জিসার কথিত স্বামী যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলের মৃত সোহরাব পন্ডিতের ছেলে ইকবাল পন্ডিত।

সংবাদ প্রকাশঃ  ০১২০২০ইং (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like সিটিভি নিউজ@,CTVNEWS24   এখানে ক্লিক করে সিটিভি নিউজের সকল সংবাদ পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুনসিটিভি নিউজ।। See More =আরো বিস্তারিত জানতে লিংকে ক্লিক করুন=

Print Friendly, PDF & Email