দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে আবার ঘুরে দাড়াঁতে চায়- সোহরাব চেয়ারম্যান

সিটিভি নিউজ।।    শান্তনু হাসান খান(বিশেষ প্রতিনিধি) জানান ==
চলতি নতুন বছরে, সারা দেশে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি ইতি মধ্যেই নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করেছেন। জানুয়ারী থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারীর শেষ নাগাদ ধারাবাহিক ভাবে গত বারের মত ৫ ধাপে নির্বাচন শেষ করতে চান স্থানীয় মাঠ প্রশাসন। দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৭১ টি ইউনিয়ন পরিষদ বিদ্যমান। ২০১৬ সালে ২২ শে মার্চ শুরু হয়ে ৪ জুন পর্যন্ত কয়েক ধাপে নির্বাচন সমাপ্ত করে সরকার। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৮০ দিন পূর্বে পরবর্তী পরিষদের গ্রহণযোগ্যতা থাকে। আর সেই আলোকে কুমিল্লা ১৭ টি উপজেলার ১৮১ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যেই কুমিল্লার মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশনা পাঠিয়েছেন সি.ই.সি। এর মধ্যে দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ অন্যতম। এখানকার বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন। এর আগে মিজানুর রহমান দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
গতকাল এই প্রতিনিধির সাথে কথা হলে তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতির পাশাপাশি “আমার গ্রাম-আমার শহর” এই প্রতিপাদ্য কে বাস্তবায়িত করতে আমি বদ্ধ পরিকর। তিনি বলেন, জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্ধের উপর সঠিক নিয়মে সকল উন্নয়নের কর্মকান্ড অব্যহত রয়েছে। এখানে কোন অনিয়ম হয়নি। কারো সুযোগ ছিল না, অনিয়ম করার। আমার পরিষদের আওতায় দুঃস্থ মাতাদের ভিজিএফ, ভিজেডি কিংবা অন্য কোন ভাতা প্রদানে অস্বচ্ছতার খবর ছিল না। এছাড়া এলজিএসপি, টিআর, কাবিখার সকল প্রকল্প একজন সরকারী টেগ্ অফিসারকে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করা হয়েছে প্রতিটি প্রকল্প। আগামীতে এ ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চেষ্টা চালিয়ে যাব। আর এখানকার সকল উন্নয়নের কেন্দ্র বিন্দু আমার মাননীয় সাংসদ ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। তাদের দিক নির্দেশনা ও পৃষ্টপোষকতায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
সোহরাব হোসেন জাফরগঞ্জের মানুষ। বেড়ে উঠেছেন এই জনপদে। মাটি আর মানুষের রাজনীতি করেন। এক সময় ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন। পরে যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আর বর্তমানে জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, পর পর ৩ বার। এদিকে আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রি মহল বিভিন্ন মিডিয়াতে তাকে নাজেহাল করতে উঠে পরে লেগেছে। আগামী নির্বাচন থেকে বর্তমান চেয়ারম্যান কে সরিয়ে দিতে নিত্য নতুন পায়ঁতারা করছে। সোহরাব হোসেন বলেন, সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে আসছি। আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। জীবনে কোনদিন দলের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাজনীতি বাণিজ্য করি নাই। কোন গ্রুপিংয়ের রাজনীতি আমি করি না। কাউকে করতে উৎসাহ দেই না। আমার শুধু একটাই গ্রুপ- আর তা হল জননেত্রীর শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতি।
এদিকে নির্বাচনের মাঠে জহিরুল আলম নামক একজন সরকার দলীয় থেকে নমিনেটেড হতে চাচ্ছেন। তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের কর্মী দাবি করলেও স্থানীয় মানুষরা বলছেন অন্য কথা। এই জহিরুল আলম এক সময় বি.এন.পির রাজনীতি করতেন। হালে পীঠ বাঁচাতে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করে নব্য আওয়ামী। তবে এলাকার জনপ্রিয়তার কারণে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সোহরাব হোসেনকে পুনরায় নির্বাচিত করতে এখন থেকে সবাই একাট্টা।

সংবাদ প্রকাশঃ  ৩২০২১ইং (সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন) (If you think the news is important, please share it on Facebook or the like সিটিভি নিউজ@,CTVNEWS24   এখানে ক্লিক করে সিটিভি নিউজের সকল সংবাদ পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুনসিটিভি নিউজ।। See More =আরো বিস্তারিত জানতে লিংকে ক্লিক করুন=   

(সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে দয়া করে ফেসবুকে লাইক বা শেয়ার করুন)
(If you think the news is important, please like or share it on Facebook)
আরো পড়ুনঃ